জীবন ডাইরী হতে পারে ওয়েব সাইট

পৃথিবী জুড়ে অনেক মানুষ আছে ।যারা তাদের দেখা , আবার না দেখা স্বপ্ন,অতীত,বতর্মান, লিখে রাখে । আবার অনেকে ছবি তুলে ফ্রেম বন্দি করে। এসব কাহিনী এক সময় মহা মুল্যবান হয়ে থাকে । পৃথিবীর  বুকে মহান মুনিষীরা তারা তাদের বিভিন্ন কাহিনী লিখে রাখতো । ফলে আজ তারা এখনো পৃথিবী জুড়ে  খাত হয়ে আছেন। আপনি ও হতে পারেন তাদের মধ্যে একজন। এটি করবেন কি ভাবে ভাবছেন । আপনি  একটি ওয়েব সাইটে তা লিপিবদ্ধ করে রাখতে পারেন।যা আপনার আজ কাজে না লাগলে ও ভবিষৎতে  তা অবশ্যই কারো না কারো লাগবে । আপনার জীবন কাহিনী থেকে অনেকে শিক্ষা নেবে ।  একটি ওয়েব সাইটে কি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন :  নিজের কাহিনী :  আপনি আপনার প্রতিদিনের জীবন কাহিনী লিখে রাখতে পারেন।সকাল হতে রাত পযর্ন্ত আপনি কি করেন  ।সকল কিছু ,ছবি তুলে ও রাখতে পারেন ।  স্বপ্ন :  আপনি আপনার  ভবিষৎ স্বপ্ ও লিখে রাখতে পারেন। যা দেখে অনেক মানুষ তাদের স্বপ্ন লিখে  রাখতে পারবে এবং বাস্তবায়নের চেস্টা করবে ।  অতীত কাহিনী :  আপনি আাপনার অতীত কাহিনী ও লিখে রাখতে পারেন ।যা ভবিষৎ সময়ে একটি বড় উপন্যাস বা  নাটক হতে পারে । তা আপনি পরে বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন ।  বন্ধুর কাহিনী :  আপনার নিজের বন্ধুর ভালবাসার ও কস্টের কাহিনী,তাদের পরিবারের কাহিনী লিখে রাখতে পারেন।  ভালবাসা ও কস্টের কাহিনী :  আপনার জীবনের ভালবাসার কিছু কাহিনী , কস্টে থাকা সময়ের কিছু কথা ‍লিখে রাখতে পারেন।  সমাজের কাহিনী :  আপনার সমাজে প্রতি নিয়ত ঘটছে এমন কিছু কাহিনী ।উন্নয়ন মূলক ,উপদেশ মূলক কথা লিখে রাখতে  পারেন।  কৌতুক কাহিনী :  আপনার পরিবারে ও সমাজে প্রতি নিয়ত কিছু সময় কৌতুক বা হাস্য তামাসার কাহিনী ঘটে থাকে ।  আপনি সে গুলো লিখে রাখতে পারেন ।  ভৌতিক কাহিনী :  আপনি আপনার সাথে ঘটা বা আপনার পরিবারে বা সমাজে ঘটা কিছু ভৌতিক কাহিনী লিখে রাখতে  পারেন ।  অলৌকিক কাহিনী :  আপনার সমাজে বা দেশের ভিতর ঘটা কিছু অলৌকিক কাহিনী লিখে রাখতে পারেন ।   ছবি তুলে রাখা :  আপনি আপনার বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে রাখতে পারেন । পাশাপাশি আমাদের দেশের প্রাকৃতিক  সোভা  মন্ডিত ছবি তুলে রাখতে পারেন ।যা আপনার কাজে লাগবে পাশাপাশি আপনার দেশে বা বিদেশে  বসবাস রত মানুষের কাজে লাগবে ।  ব্যাবসা :  আপনার ব্যাবসায়ের কিছু কাহিনী লিখে রাখতে পারেন । এছাড়া আরো নাম না জানা কাহিনী আপনি  আপনার ওয়েব সাইটে লিখে রাখতে পারেন । ভাবছেন কি লাভ হবে এ সব লিখে আজ আপনি বুঝতে না  পারলে ও ভবিষৎতে বুঝতে পারবেন ।আপনার এই কাহিনীএক সময় বিক্রি হবে অনেক দামে ,আপনার  তোলা ছবিও বিক্রি হবে । তখন আপনার ভাল লাগবে নিশ্চয় হ্যাঁ বন্ধুরা সময় চলে যায় , কারো জন্য  এটা অপেক্ষা করে না । তাই বলছি আপেক্ষা না করে আজিই শুরু করে দিন লেখালেখি । জয় হবে নিশ্চয়  একদিন ।  ভাল থাকবেন । 

বিপদে পড়তে পারে বাংলাদেশের অনেক ব্যাবসা প্রতিস্ঠান ।

আমাদের দেশে অধিকাংশ ব্যাবসা প্রতিস্ঠান এখনো জানে না যে অনলাইন ব্যাবসা করে কে কত উন্নতি  আনতে পারে । ব্যাবসা প্রতিস্ঠান গুলো তারা এখনো তাদের চলা চলিত নিময় অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। আমি বলছি না যে এটা খারাপ । কিন্তু সামনে এমন দিন আসছে যে যেখানে প্রতিটি ব্যাবসা প্রতিস্ঠানে  একটি করে ওয়েব সাইট থাকবে সেখানে প্রতি টি সাইটের ব্যাবসা বিশ্ব দরবারে নিয়ে যাবে । আমার বন্ধু র একটি ব্যাবসা প্রতিস্ঠান আছে । ষেখানে সে ছেলে দের টি  শাট ও  গেন্জি বিক্রি করছে । শুরু তে  সে শাটও গেন্জি বিক্রি করে ভালই টাকা আয় করতে পারতো। কিন্তু বতর্মানে ব্যাবসা ক্ষেেএ অতি  মাএায় চ্যালেন্জ হয়ে যাওয়ায় তার পক্ষে ব্যাবসাটি চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে ছিল । তখন  আরো জানুন: সে অনলাইনে  দেখলো ।কিভাবে পণ্য বিক্রি করে অধিক টাকা আয় করা যায় । পড়ে সে একটি ওয়েব  সাইট খুললো তার দোকনের নামে এবং তার পণ্য অফলাইনে ও অনলাইনে বিক্রি শুরু করলো । এখন  তার আয় আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।  আগে চেয়ে তার কাস্টমারের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। যেমন অফলাইনে তেমনি অনলাইনে ডিজিটাল  মার্কেটিং এর সাহায্যে  ব্যবসার ব্যাপক প্রসার করা সম্ভব তা কিন্তু তাদের মাথায়ই নেই। খুবই খারাপ  লাগে যখন দেখি বাংলাদেশের বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনলাইন কে তেমন একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।  তারা মনে করে অনলাইনের চেয়ে অফলাইন টি ভাল কাজ করে থাকেন । তাই বলছি সময় বদলেছে ।  এমন দিন আসবে যেখানে প্রতি টি ব্যাবসা ক্ষেএ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে পারে । কারন অফলাইনে যেমন  টাকা ইনকাম করা যায় তেমনি অনলাইনে ও তার চেয়ে বেশি টাকা ইনকাম করা যায় । তাই বলছি  এখনি নজর দিলে ভাল হবে । তা না হলে বিপদে পড়তে পারে বাংলাদেশের অনেক ব্যাবসা প্রতিস্ঠান।  আমার এ লেখায় অনেকে কস্ট পেতে পারেন । দয়া করে ক্ষমা করবেন। কিন্তু আমি যা লিখলাম তা  খাটবে এটা সত্য । কারন ডিজিটাল যুগে মানুষ ঘরে বসে যে কোন জিনিস পেতে চায় । থাকতে চায়  টেনশন ফ্রি । যেখানে যে ব্যবসায়ী আছেন না কেন ভালো থাকবেন, সুখে থাকবেন এ বলেই আজকের  পোস্ট এখানে শেষ করছি। 

প্রতিটি ব্যাবসা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন ওয়েবসাইট ।

যুগ বদলেছে মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে দ্রত গতিতে । যে তাল মিলাতে পারছে না সে পড়ে  যাচ্ছে ।অতল গভিরে । কাস্টমারদের হাতে এখন দ্রুতগতির ইন্টারনেট আছে যার সাহায্যে তারা খুব  সহজেই তাদের প্র য়োজনীয় ইনফরমেশনগুলো পাচ্ছে। তাদের কোন পণ্যের প্রযোজন হলে তারা আগে  আরো পড়ুন: ওয়েবসাইট কি? একটি ওয়েবসাইটে কি কি সুবিধা থাকে? আরো পড়ুন: একটি ওয়েবসাইট থেকে আয় করুন একাধিক উপায়ে । অনলাইনে সার্চ দেয়। সেখানে আগে তারা দেখে নেয় যে কোন পন্য টি ভাল তারপর তারা অর্ডার দিয়ে  থাকে । ধরুন আপনি একটা ব্যাবসা প্রতিস্ঠানের মালিক । কিন্তু দুংখের বিষয় অনলাইনে আপনার  কোন ওয়েব সাইট নায় ।  এখন একজন ভাল কাস্টমারের কিছু জিনিস পএ প্রয়োজন । তখন সে কি করবে জিনিস গুলোর গুনগত  মান দেখার জন্য প্রথমে অনলাইনে সার্চ দেবে।সেখানে যে পণ্য পাবে তার উপরি সে বিবেচনা করবে তার  কোন পণ্যটি প্রয়োজন । বলা দরকার এখানে যে পণ্য আছে তার চেয়ে অনেক গুন ভাল আপনার পণ্য ।  তখন আপনার কি হলো একজন ভাল কাস্টমারকে আপনি হারালেন তাই নয়কি ।মানুষ এখন চায় তার  হাতের নাগালের ভিতর সব কিছু থাকবে । তার যখন যেটা প্রয়োজন সে চাওয়া মাএ যেন পায় এমন  আরো পড়ুন: অবস্থা । এ অবস্থায় আপনার কি প্রয়োজন দ্রতগুগতিতে একটি ওযেব সাইট খুলে ফেলা দরকার ।কারন  তা না হলে আজ অথবা কাল আপনার ব্যাবসার সমস্যা হতে পারে ।  ব্যাবসায়ে ওয়েব সাইটের কাযর্কারিতা:   ওয়েব সাইট ব্যাবসার জন্য আয় আরো বৃদ্ধি করে থাকে। একটি ওয়েব সাইট আপনার ব্যাবসার কাস্টমার বুদ্ধি করে ।  একটি ওয়েব সাইট থাকলে আপনি আপনার পণ্যের বিড্গাপন নিজেই দিতে পারবেন ।  ফ্রেসবুক,টুইটারের মত বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম গুলোতে আপনি বিড্গাপন দিতে পারবেন ।  একটি ওয়েব সাইট থাকলে আপনি আপনার পণ্য বাংলাদেশের যে জায়গায় বিক্রি করতে পারবেন পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ আপনার পণ্যের গুনগত মান দেখতে পারে ।  একটি ওয়েব সাইট থাকলে আপনি আপনার যে পণ্য লাগবে তার অর্ডার নিতে ও অর্ডার দিতে পারবেন  কাস্টমার তার পণ্য ঘরে বসে অনায়সে পেয়ে যাবে ।  আরো পড়ুন: 15 Best Coffee Maker of 2020 … Read more

ওয়েব সাইট খুলুন আর আয় করুন

প্রতিটি মানুষ এখন বলে যে তার টাকা চায় । টাকা ছাড়া এর কোন বিকল্প নায় । তাই আমার মনে হয়  বেশি কথা না বলে । টাকা কি ভাবে আয় করা যায় । তার বিষয়ে আলোচনা করি। টাকা আয় করতে  আপনার যে বিষয় টি বেশি গুরুত্ব দিতে হয় তা হলো কাজ । মানুষ এখন চাই অল্প পরিশ্রম করে টাকা  আয় করতে । কারন আগের তুলনায় মানুষ এখন কম পরিশ্রমি । অনেক বন্ধুরা চাই ঘরে বসে আয়  করবো পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে থাকবো । তাই আমি আপনাদের উপকার করার জন্য এসেছি । আরো জানুন: বাংলাদেশ থেকে ওয়েব সাইট কেনার আগে জেনে নিন অতি প্রয়োজনীয় ১১ টি ফিচার সর্ম্পকে। কিভাবে ঘরে বসে ২ থেকে ৩ ঘন্টা সময় ব্যায় করে আয় করা যায় । তার বিষয়ে আলোচনা করবো ।  আপনি অনলাইনে আয় করতে চাইলে প্রথমে আপনার যে জিনিস টা প্রয়োজন তা হল একটি ওয়েব সাইট । যেটা আমি আপনাকে দেব খুবিই অল্প টাকার বিনিময়ে । ওয়েব সাইট খুলতে যা করতে হবে তা হল  আপনি যদি চান :  আমার মত আপনি ও যদি একটি ওয়েব সাইট কিনতে চান এবং সেখানে কাজ করতে চান তবে আজিই  ক্রয় করুন । অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানী আছে যারা ডোমেন ও হোষ্টিং বিক্রি করে থাকে । পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নতমানের থিম ও বিক্রি করে থাকে । এবং কিছু বিশেষ সময়ে তারা বিভিন্ন … Read more

নিজের উপর আস্থা তৈরি করে এফিলিয়েট মার্কেটিং।

আজ  থেকে আপনি কি ?  আপনি আপনার জন্য কি করতে পারবেন সেই চিন্তাটা করা শুরু করে দিন ।  আজ থেকেই নিজেকে পাশের মানুষের সাথে তুলনা করা বন্ধ করুন। খুব ভালোভাবে চিন্তা করলেই বুঝবে ন যে,এ ধরনের চিন্তা আপনার নিজের ক্ষতি ছাড়া সুফল এনে দিতে পারে না । আমরা সবাই এক এক  পরিবেশে বড় হয়েছি । কোন মানুষের তুলনা অন্য কোন মানুষের সাথে চলে না ।এক এক জন মানুষের  ভিতর বিধাতা এ্ক এক রকম বুদ্ধি দিয়ে সৃস্টি করেছেন তাই কারো সাথে কারোই জীবন যাপনের মিল  নেই । আমরা সবাই আসলে গাছের ফলের মতো। আমাদের সাধারণ পরিচয় যদি ধরে নিই ফল,  আমাদের গাছ কিন্তু ভিন্ন। যেমন- আমাদের কেউ হয়তো আম, আবার কেউ হয়তো কাঁঠাল। এখন  একজন যদি আম হয়, সে দারুণ আমে জুস উৎপন্ন করতে পারবে। তাছাড়া আম খেতে ভারি মজা লাগে।  এটা থেকে আপনার মন খারাপ বা কস্ট পাওয়া উচিত নয়, কারণ আপনি কাঁঠাল, আম নন। আপনি  জানেন কাঠাঁন আমাদের জাতীয় । এর গুনাগুন অনেক। আমাদের সবার নিজস্ব প্রতিভা ও দক্ষতা আছে,  যেমন আছে অন্যদের। এটা যত দ্রুত আমরা বুঝতে পারবো, ততই আমরা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে  চেষ্টা করবো কিন্তু অন্যের প্রতিভা/ দক্ষতা দেখে কস্ট পাবো না।  আরো জানুন: একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে চান যা করতে হবে ? সেরা ৫টি এফিলিয়েট মার্কেটিং সফট্ওয়্যার সর্ম্পকে জানুন। এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কিছু ভুল যা সাফল্য অজর্নে বাধা তৈরি করতে পারে। এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাফল্যে অজর্নের গুরুত্বর্পূণ দিক নির্দেশনা। তাহলে আপনি কি বুঝলেন ।আপনার বা আমার চাহিদা এক নয় ।আপনার একটি নিজস্ব চাহিদা ,প্রতিভা  ও দক্ষতা আছে । আপনি ও আপনার জায়গা থেকে কিছু করে দেখাতে পারেন ।তাই নয় কি । তাই বলছি  আমাদের এই বর্র্তমান সময়ে এই সুযোগ টি এনে দিচেছ এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং । কারন এটি এক দিকে যে মন আপনার আয়ের পথ দেখায় অন্য দিকে এখানে আপনি আপনার ভিতরে থাকা প্রতিভা কাজে লাগাতে  … Read more

Facebook কে অযথা সময় ব্যায় না করে আয় করুন ।

Facebook ওয়েব সাইট টির সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত ।কারন আমাদের এখকার সময়ে বড়  যোগাযোগের মাধ্যম হলো এটি তাই নয় কি । হ্যাঁ এটাই সত্য ।  Facebook এর উপকারিতা :  বড় যোগাযোগের মাধ্যম হল Facebook  ছবি আদান ও প্রদানের মাধ্যম  বিভিন্ন লেখা অন্যেদের কাছে পেীছে দেওয়া যায়।  নিজের মত প্র্রকাশ করা যায় ।  বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান অনেক  ব্যাবসায়ের দিক থেকে বড় একটি জাযগা ।  ভিডিও তে কথা বলা যায় ।  বন্ধুত্ব করা যায় পৃথিবীর যে কোন মানুষের সাথে যদি তার একটি এ্যাকাউন্ট থাকে ।  এছাড়া আরো অনেক দিক থেকে Facebook আমাদের সাহায্য করে থাকে । কিন্তু প্রশ্ন হলো এখান  থেকে আপনি কোন টাকা আয় করেছেন কি ? আমি সেই পথটি আজ আপনাদের কে দেখাবো ।আপনি  যতটা সময় Facebook ব্যায় করেন ।টিক তার চেয়ে কম সময় ব্যায় করে আয় করতে পারেন।  আপনার কল্পনার চেয়ে অনেক টাকা ।  আরো জানুন: Facebook থেকে টাকা আয় করবেন যেভাবে (ভিডিও আপলোড কোরে) আপনি Facebook কে আপনার ছবি দিয়ে বিভিন্ন কন্টেন্ট দিয়ে মানুষের লাইক ও কমেন্ট পেয়ে আনন্দ  পেয়ে থাকেন ।তাই নয় কি ।কিন্তু এটা যদি আপনার নিজস্ব ওয়েব সাইটে হতো তাহলে কেমন হতো  বলুন তো ?হ্যাঁ ভাল হতো আপনি আনন্দ ও পেলেন পাশাপাশি টাকা আয় ও হয়ে গেল । কথাটি শুনে ভাল  লাগছে নিশ্চয় । এটায় সম্ভব।আপনি আপনার ছবি দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন মুল্ক কন্টেন্ট লিখে Facebook  শেয়ার করুন ,তারপর আপনার বন্ধুরা লাইক ও কমেন্ট ও শেয়ার করবে এবং আপনার দেওয়া কন্টেন্ট  অনুযায়ী তারা আপনার প্রোডাক ক্রয় করবে ।তারপর কি টাকা আর টাকা আপনার সামানো পরিশ্রম  আপনাকে এনে দিতে পারে শান্তি আর শান্তি । তবে দেরি করছেন কেন ক্রয় করুন একটি ওয়েব সাইট । এবং পেীছে জান আপনি যেটা এতো দিন আশা করে আছেন । তার লক্ষ্যে ।  আপনি যদি করতে চান,  Namecheap কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিষয়ে জানতে নিচে ক্লিক করুন: অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানী আছে যারা ডোমেন ও হোষ্টিং বিক্রি করে … Read more

আপনার জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং সাফল্য বয়ে আনবে ।

এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য একটি ভাল ক্যারিয়ার বয়ে আনতে পারে তা কখনো কি ভেবে দেখে  ছেন । হ্যাঁ এমন দিন আসছে যে সময় টা প্রতি টি মানুষ ঘরে বসে এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবে ।কথাটি  শুনে অবাক হচেছন।আপনার জন্য এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাফল্য বয়ে আনবে ।কিনা ? তার সস্পর্কে  এখন আমি যে কথাটি লিখতে চলেছি। তা যদি আপনা সাথে মিলে  যায়,তবে আপনি একজন ভাল  এ্যাফিলিয়েট মার্কেটর হতে পারবেন ।  আরো জানুন: এফিলিয়েট মার্কেটিং করার ১০ টি কারন এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য:  1. আমার একটি কম্পিউটার আছে এটি আমার মন মত ,এতে আমি কাজ করে আনন্দ পায় ।  2. আমার বাড়িতে ইন্টারনেট লাইন আছে ।  3.    আমার বাড়িতে কাজ করার জন্য আলাদা জায়গা আছে । যেখানে আমি কাজ করে আনন্দ পায়। আমাকে কেও সমস্যা করে না ।  4.  আমি স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি ,আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য আমি অনেক পরিশ্রম করতে পারি আরো জানুন: একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে চান যা করতে হবে ? 5.    আমি বাংলা ভাষায় ভাল কথা বলতে পারি এবং বাংলা ভাষায় ভাল কন্টেন্ট লিখতে পারি।  6.   নতুন নতুন বিষয়ে গবেষণা করতে ও লিখতে আমার ভাল লাগে।  7.   কাজ করার সময় আমি চেস্টা করি যেন কোন ভুল না হয়।  8.  স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য আমি সকল খারাপ পথ ছেড়ে কাজে মনোনিবেশ করতে পারি।  9.   আমি কখনো হার মানি না একটি কাজ শুরু করলে শেষ না করা অবধি আমি শান্ত হতে পারি না।  আরো জানুন: আমার দৃষ্টিতে প্যাসিভ ইনকাম সেরা ।আপনার … Read more

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ?কিভাবে শুরু করবেন ? তার সম্পর্কে জানুন।

আজ আমি বলবো এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে শুরু করবো ? আজ এই ব্যাপার টা বিস্তারিত  আলোচনা করবো । যে কোন কাজ ই সঠিক ভাবে শুরু করতে না পারলে ভালো করা যায় না ।  এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি এবং কিভাবে কাজ শুরু করবেন, আপনার কি কি যোগ্যতা লাগবে, কোথা  থেকে শুরু করবেন এই সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ।  #ref-menu এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:  সারা পৃথিবীর মানুষ টাকার পিছনে ছুটছে। চাকরি করার পাশাপাশি আরও দু পয়সা ইনকাম করার জন্য  সবাই মরিয়া। বেকারত্ব আমাদের পিষে মারছে। তো এমন পরিস্থিতিতে আমরা যদি অল্প খরচে অল্প কিছু  সময়ে অল্প কিছু কাজ করে টাকা আয় করতে পারি । ভাল হয় না।  প্রথমে জানতে হবে এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি: আপনি যখন আপনার ডিজিটার মার্কেটিং স্কিলটা ব্যাবহার করে অন্য কারও প্রডাক্ট অথবা সাভির্র্স মিশন ভিওিক প্রমোশন করবেন সেটা হবে এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল একটি মাধ্যম যেখানে পাবলিসর এবং প্রডাক্ট প্রস্তুতকারি একত্রে সম্মিলিত  হয়ে প্রোডাক্ট মার্কেটিং ও বিক্রি করে যে আয় হয় তা ভাগাভাগি করে নেয়। কি এখনো বোঝেন নি ।  মনে করুন আমার একটি চায়ের দোকান আছে । আমার বন্ধু প্রতি ‍দিন এসে এক কাপ চা খেয়ে চলে যায় এখানে চায়ের দোকাদার হল প্রোডাক্ট প্রস্ততকারী এবং বন্ধু হল এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটর প্রোডাক্ট প্রস্তত কারী তার চা বিক্রি বেশি করার জন্য তার বন্ধুকে একটা বুদ্ধি দিলেন । তিনি যেন তার আরো বন্ধুদের  কে এনে এখান থেকে চা খাওয়ান । তাহলে তার বিক্রি বেড়ে যাবে । এবং প্রোডাক্ট বিক্রি বাবদ যে আয়  হবে । তার উপর কিছু কমিশন তাকে দেওয়ার নাম হল এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং । এবার মনে করি বুঝতে  পেরেছেন ।  #ref-menu এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন ?  মনে করুন আমার একটি ওয়েবসাইট আছে । যেখানে প্রচুর পরিমান ভিজিটর অথবা ফ্রেন্ডলিস্টে অনেক  ফ্রেন্ড আছে তাহলে আমি আমারসাইটে অথবা ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে ভিজিটরকে আকৃষ্ট করে প্রোডাক্ট   প্রস্তুত কারি প্রতিষ্ঠানের সাইটে পাঠিয়ে দিবেন আর এভাবে আপনার সাথে চুক্তি আনুযায়ী পেমেন্ট গ্রহন   করবেন। আবার চুক্তি অনুযায়ী আপনার অ্যাড এ ভিজিটর ক্লিক করলে ও আপনি অর্থ পেতে পারেন।  তবে মনে রাখবেন সাধারনত প্রডাক্ট বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট পাবেন না । কিছু টপ এ্র্যাফিলিয়েট  মার্কেটিং সার্ভিস প্রদান কারি হলো Amazon,  Ebay , Google, ইত্যাদি । তাহলে এখন কি বুঝতে  পেরেছেন ,যে কিভাবে এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন ।  #ref-menu পরিশেষে এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করলে শুধু আপনি লাভবান হবেন না ,পাশাপাশি প্রোডাক্ট প্রস্ততকারী ও  তারা যারা এখানে এসেছে । সুতরাং বলতে পারি যে এ্র্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করলে আপনি যেমন  লাভবান হবেন ।তেমনি সমাজ কেও সাহায্য করতে পারবেন ।  ধন্যবাদ  ভাল থাকবেন । 

মাএ ৪ ঘন্টা কাজ করে বাকি ২০ ঘন্টা আরাম আয়সে কাটান।

আপনার নিজেকে বদলানোর এটা উওম সময় ।কি ভাবছেন এটা কি সম্ভব হ্যাঁ আজ এটা সম্ভব আপনি আপনার নিজেকে বদলান মাএ আল্প সময়ে ।  আপনি প্রতি দিনের কাজে জান । তার একটা সময় আছে ।  . . নিশ্চয় ৪ ঘন্টা নয় । আমাদের দেশের পরিপেক্ষিতে দেখলে কি বুজবেন । হ্যাঁ এখানে প্রতিটি কাজই ৯টা থেকে ৫ টা বা তার চেয়ে বেশি , এর চেয়ে  কম  নয়।আজ কিন্তু এটা সম্ভব, অনলাইনে মাএ ৪ ঘন্টা সময় কাজের পিছনে দিয়ে বাকি সময়টা পরিবার ও বন্ধুকে সময় দিতে পারবেন। কাজ টি কি নিশ্চয়  বুজতে পারছেন । হ্যাঁ আমি এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কাজ করার কথা বলছি । এখানে আপনি কাজ করে  . 1.আরাম আয়সে দিন গুলো কাটাতে পারবেন ।  2.পারবেন আপনার পরিবার কে সময় দিতে।  . #ref-menu 3.সব সময় আপনার পরিবার সঙ্গে বেড়াতে যেতে পারবেন।  4.আপনার বন্ধুকে সময় দিতে কোন সমস্যা হবে না।  5.আপনি আপনার সমাজকেও সময় দিতে পারবেন ।  . আরো জানুন: ২০টি বিজনেস আইডিয়া, শুরু করুন যে কোনটি। . তাহলে কি বলেন এই কাজ টা করা যায় । হ্যাঁ করা যায় । দিনে চার ঘন্টা কাজ আর বাকি ২০ ঘন্টা নিজের ও পরিবার ,পরিজন নিয়ে থাকা ও  সময় কাটানোর মজায় আলাদা ।  আজ এ পযর্র্ন্ত , ভাল থাকবেন । 

বাংলা ভাষায় কন্টেন্ট তৈরী করে আয় করুন ২০ হাজার বা তারও বেশি টাকা ।

বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা, আর এ ভাষাতে আপনি ও আমি কথা বলি।আর বাংলা ভাষায় ওয়েবসাইট, এই ভাষাতেই কন্টেন্ট তৈরী করে  আয় করা যায় ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা । বিশ্বাস হচেছ না ।  . আরো পড়ুন : ঘরে বসে আয় করুন, বাগডুম এফিলিয়েট র্মাকেটিং শুরু করুন . হ্যাঁ এটায় সত্য,  আপনি চাইলেই এখন আপনার মাতৃভাষা বাংলাতেই কন্টেন্ট তৈরী করে আয় করতে পারেন। প্রথমে আপনি এমন একটা নিশ  তৈরি করুন যার উপর ভিক্তি করে কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে । যেমন আমার এই সাইটের নিশ হলো এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে আয়  করা যায় । এখানে আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সে বিষয়ে কন্টেন্ট তৈরী  করে আয় করতে পারেন । . . আরো পড়ুন : এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রামগুলির জন্য কিভাবে আবেদন করবেন। আরো পড়ুন : এফিলিয়েট মার্কেটিং না চাকুরী কোনটি করবেন। . ভাল থাকুন, সঙ্গে থাকুন।