How to Make Money With Photos. (Reviews of 2021) ফটো দিয়ে অর্থোপার্জন করুন।

ছবি তোলা এখন মজার ব্যাপার দাড়িয়েছে । এখন আপনি একটু খেয়াল করলে দেখবেন আাপনার আসেপাশের লোকজন প্রতিনিযত  কোন  না কোন জিনিসের ছবি তুলছে ও ভিডিও করছে।তার ছোট একটা কারন তা হলো মোবাইল ।এখন মোবাইল পণ্য টি প্রায় প্রতিটি মানুষের  হাতে দেখা যায় । আর মোবাইলে ক্যামেরা সংযুক্ত থাকার কারনে এ অবস্থা ।  অনেকে শখের বসে ক্যামেরায় ছবি তুলে বেড়ান কোন ধরণের লাভের আশা ছাড়াই, এমন লোকের সংখ্যা হিসেব করলে অনেক দেখা যাবে ।  এখন সেই শখের ফটোগ্রাফি থেকে আপনার যদি টাকা আয় হয়  তবে কি ভাল হয় না ।  ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে ফটোগ্রাফির ছবি :  আপনার এ ছবি বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করতে পারেন । এবং আয় করতে পারেন অনেক টাকা ।ফটো বিক্রির জন্য আপনি বিভিন্ন  স্টক মার্কেটে ভিজিট করে দেখতে পারেন ।তবে সেখানে আপনাকে খাজনা দিতে হবে মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করার জন্য! প্রথমে ফটো স্টক মার্কেটে  ছবি আপলোড করে ক্রেতার আস্থা অর্জন করতে হবে। সুন্দর করে পোর্টফলিও সাজাতে হবে।  কিছু ছবি ফ্রি ব্যবহার করতে দিতে হবে।  এভাবে যখন আপনি ক্রেতার আস্হা অর্জন করবেন, তখন আপনার যদি নিজস্ব কোন  ওয়েবসাইট থাকে সেখানে ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানাবেন। এভাবে নিজের ওয়েবসাইটে ক্লায়েন্ট আনতে পারলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনাকে  আর ফটোগ্রাফ বিক্রির লভ্যাংশ দিতে হবে না!  ফটোগ্রাফির ধরন :  একটি ব্যাবসা প্র্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ছবির প্রয়োজন হয়। ফটোগ্রাফ বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইটের জন্য  ফটোগ্রাফ প্রয়োজন পড়ে। তা হতে পারে পাখি, ফুল ,সাগর, পাহাড়,বৃক্ষলতা, ফুল, মানুষ, বন্যপশু,ঝরণা , অফিস কাজের ছবি, ব্যাবসায়িক  ছবি এছাড়া আরো অসংখ্য উপাদান রয়েছে যা ব্যাবসা প্র্রতিষ্ঠানে প্র্রয়োজন হয়।  আপনার চারিদিকে এত সৌন্দর্য পুণ্য ছবি আছে আপন চাইলে এগুলো ভালভাবে ছবি  তুলে আয় করতে পারেন অনেক টাকা । কথাটি  বিশ্বাস হচ্ছে না । কিন্তু এটাই সত্য। এভাবে যে কেউ শখকে নেশা এবং  তা থেকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারে।  কি লাগবে :  আপনার এ কাজ করতে তেমন কিছুর প্রয়োজন হয় না । শুধু মাএ একটি ভাল মাপের ক্যমেরা থাকলেই হবে । ভাল মোবাইল থাকলে ও হবে  যদি তাতে রেজুলেশন ভাল থাকে ।  তাহলে শুরু করা যাক :  আপনি প্র্রতি নিয়ত অনেক ছবি তুলছেন । তার মধ্যে কিছু ছবি আজিই আপলোড করে দিন বিভিন্ন স্টক মার্কেটে প্র্রথম অবস্থায় ফ্রিতে দিন ।  তারপর ক্রেতার মন মত হলে যখন তারা আপনার দেওয়া ছবি কিনতে শুরু করবে তখন আপনি চাইলে একটি ওয়েব সাইট কিনে নিয়ে কাজ  করতে পারবেন । তখন নিজের ওয়েবসাইটে ক্লায়েন্ট আনতে পারলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনাকে আর ফটোগ্রাফ বিক্রির লভ্যাংশ দিতে হবে না ।  সুতরাং আপনি শুরু করে দিতে পারেন ছবি তোলা যা ভবিষৎতে আপনার পেশা হিসাবে রুপান্তর হতে পারে । আজ যা ছোট তা কালকে বড়  হতেই পারে । তাই আপনি এটাকে ছোট কাজ মনে করবেন না ।এখান থেকে আপনি আয় করতে পারেন কোটি কোটি টাকা।  ভাল থাকবেন । 

কোন টাকে আপনি পেশা হিসেবে নেবেন। ফ্রীল্যানসিং নাকি এফিলিয়েট মার্কেটিং ।

আপনি ভাল আছেন তো । হ্যাঁ অবশ্যই ভাল আছেন । আজ আমি যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করবো  তা হলো আপনার  দৃস্টিতে কোনটাকে আপনি পেশা হিসেবে বেচে নিবেন। ফ্রীল্যানসিং  নাকি এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ফ্রীল্যানসিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং দুটো ভিন্ন ভিন্ন পেশা তবে দুটো পেশাই তাদের  স্বমহিমায় মহিমান্বিত! তারপর ও তাদের  মধ্যে কিছু পাথর্ক্য দেখা যায়।  তা হলে আসুন আলোচনা করা যাক।  ফ্রীল্যানসিং :  1.ফ্রীল্যানসিং বলতে আমরা মূলত বুঝি মুক্তভাবে বিচরণ করা বা মুক্তভাবে কাজ করা ।অর্থাৎ আপনি  যেখানে খুশি, যেভাবে খুশি কাজ করতে পারবেন,কেউ আপনাকে বাধা দেবে না । কিন্ত আসলে কি তাই  হয়।  2.ফ্রীল্যানসিং একটি একটিভ ইনকাম সোর্স অর্থাৎ আপনি ঠিক যতটুকু কাজ করবেন ঠিক ততটুকুই  উপার্জন করবেন!  3. একটি কাজ পাওয়ার জন্য আপনার কাঙ্খিত বায়ারের পথচেয়ে বসে থাকতে হয় ।  4.মার্কেটপ্লেসে নির্ভর হওয়ার কারনে আপনার কষ্টের উপার্জনের ২০% তাদেরকে দিয়ে দেয়া।এটা কি  ভাল লাগে বলুন তো ।  আরো জানুন: অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করতে চান জেনে রাখুন ৩টি গুরুত্বর্পূণ কৌশল। 5.এছাড়াও মার্কেটপ্লেস এ আপনার মূল্যায়ন নেই বলেই চলে কারণ আমার দেখা একজন সেলার এর  একাউন্ট এ ২০০০০ হাজার+ রিভিউ সহ ব্যান হয়ে যায় কোনোপ্রকার অনুমতি ছাড়াই!  6.এমন অনেক সময় হয় আপনি একজন বায়রের কাজ করলেন ।কাজ শেষে আপনি যখন কাজ জমা  দিলেন । তখন বায়ার আপনার টাকা না নিয়ে অফলাইনে চলে গেল ।তখন আপনি তাকে খুজে পাবেন না । ফলে কি হবে আপনার কস্ট বিথা গেল ।আপনি সাপোর্ট এ যোগযোগ করার দরুণ উল্টো আমাকে তারা  সাসপেন্ড করে দিলো।  আরো জানুন: অনলাইন ইনকাম: কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরন। 7.এখানে আপনার কোন স্বাধীনতা নায় ।বায়ারের হুকুম মত আপনাকে চলতে হবে।  8.আপনি চাইলেও কোথাও ভাল মত ঘুরতে পারবেন না। যখন আপনাকে কাজ দেবে তা সার রাত জেগে  শেষ করে দিতে হবে ।  9.কাজ শেষ হওয়া পর যখন জমা দেন তখন ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।যদি কোন খারাপ ফিডব্যাক দেয় ।  10.সারারাত জেগে বিড করতে হয় । নতুন করে কাজ পাওয়ার জন্য ।  11.যদি আপনার কোনো রানিং প্রজেক্ট থেকে থাকে তাহলে সেটি শেষ করার জন্য সারারাত জেগে কাজ  করতেই হবে!  20 … Read more