ম্যাচিওরিটি সম্পর্কে কিছু উক্তি|(Bengali Quotes on Maturity)

ম্যাচিওরিটি সম্পর্কে কিছু উক্তি

অন্যকে পরিবর্তন করার চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের প্রতি দৃষ্টি রেখে বাস্তব্ধর্মী সিদ্বান্ত গ্রহণ করার মাধ্যমে নিজের উন্নতি সাধন করা এবং পাশাপাশি সকলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলাটাই হল প্রকৃত অর্থে ম্যাচুরিটি..

নিজের স্বপ্নগুলো মেরে ফেলে পরিস্থিতিকে মুখ বুজে সহ্য করাই বোধ হয় ম্যাচুরিটি। কিছু মানুষের কাছে এটাই কঠিন বাস্তব।

যেদিন সন্তানের চিন্তায় মায়ের ঘুম নষ্ট হবে না, বরং সেই সন্তানই চিন্তা করবে যে তার মা ঘুমিয়েছে কিনা; মা নিজের যত্ন নিচ্ছে কিনা; ম্যাচিউরিটি তখন থেকেই তৈরি হয়।

খারাপ লাগলেও খুশি মনে তা মেনে নেওয়া; সামনের লোকটিকে বুঝতে না দেওয়া নিজের খারাপ লাগাটাকে…সেই সূক্ষ্ম চেতনা ই মানুষকে ম্যাচিওরড করে তোলে।

নেতিবাচক সবকিছুকে উপেক্ষা করে ‘ডোন্ট কেয়ার’ মুডে চলা, কে কি ভাবলো বা বলল ; সেগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে এগিয়ে চলাই হল পরিপক্কতা বা ম্যাচিউরিটি।

দেহের নয়; মনের বয়স যখন বাড়ে তখনই আসে আসল ম্যাচিউরিটি, কষ্ট পেলে লুকিয়ে সিগারেটের ধোঁয়ায় কষ্টকে উড়ানো; সে তো দুঃখ বিলাসিতা; পরিপক্কতা নয় !!

ম্যাচিউরিটি বা পরিপক্বতা আসে অভিজ্ঞতা অর্জন করার সাথে সাথে; শুধুমাত্র বয়সের সাথে নয় ।

ম্যাচিওরড তারাই হয় যারা নিজের বড়াই নিজে করে না।

ক্ষমা করতে পারা হলো ম্যাচিউরড বা পরিপক্ব হওয়ার অন্যতম একটি শর্ত ।

নিজের দুঃখের কথা রাষ্ট্র করে মানুষের কাছে সমবেদনা পাওয়ার মনোভাব একপ্রকার ছেলেমানুষি । যে দিন থেকে ব্যক্তি নিজের কষ্ট ,নিজের দুঃখকে নিজেই সামলাতে পারবে সেদিন থেকে সে ম্যাচুউরড !!

ভালোবাসার মানুষকে সর্বদা আঁকড়ে ধরে থাকলেই ভালোবাসা বাড়ে না বরং তা সময়ের ফেরে একঘেয়ে হয়ে যায়! ম্যাচিওরিটি সেটাই যখন দুজন দুজনাকে প্রয়োজনীয় স্পেস দিতে পারে; ভালোবাসাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে!!

কেউ তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করছে; ক্ষতি করার চেষ্টা করছে .সে জন্য হঠাৎ করে রেগে না নিয়ে ; তার ওপর প্রতিশোধ স্পৃহা না জাগিয়ে হাসি মুখে এড়িয়ে যাওয়া এবং মাফ করার মনোভাব তোমার মধ্যে যে দিন তৈরি হবে সে দিন নিজেকে তুমি ম্যাচুউরড ~”জেনে রেখো”…

প্রত্যেকটি কাজের পর যে ব্যক্তি নিজেকে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখে ; এবং ভুল হলে তা শুধরে নিতে জানে সে -ই প্রকৃত পরিপক্ব ব্যক্তি ।

প্রশংসা তো সবার ই প্রিয় ..ক’ জন পারে সমালোচনা শুনতে ? তিনি ই প্রকৃত ম্যাচিউরড ব্যক্তি যিনি নিজের সম্পর্কে সমালোচনার দ্বারা নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারেন ।

দেহের বয়স বাড়ে প্রাকৃতিক নিয়মে; আর মনের বয়স সাড়ে অভিজ্ঞতার কারণে…অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ শিক্ষাপ্রাপ্ত করে যখন তার নিজের জীবনে প্রয়োগ করে সেটাই হলো আসল ম্যাচিউরিটি ।

যখন ই নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করা বন্ধ করবেন, অন্যকে পরিবর্তন করার আগে নিজেকে পরিবর্তন করতে সচেষ্ট হবেন,

নিজের ধর্মকে অহেতুক তর্ক করে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করা অপেক্ষা গঠনমূলক সমালোচক হবেন; যখন ই শিক্ষিত ও জ্ঞানী মানুষের মধ্যে আসল পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

কিছু ভুল করলে, তা অকপটে স্বীকার করতে পারবেন;জানবেন আপনি ম্যাচিউরড হয়ে গেছেন।

যখন কোনো ব্যক্তি “আমি সবসময় সঠিক, এই ধারণা বা মত পোষণ না করে নিজের ভুলগুলিকে সমালোচনা করে সেটিকে একান্তভাবে প্রতিহত করতে সচেষ্ট হন অথবা কারো বাহ্যিক অবস্থা দেখে বিচার না করে তার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়ার পরেই তাকে বিচার করে, তখনই বুঝে নিতে হবে তিনি ,’ ম্যাচিউরড”।

ম্যাচিওরিটি হল নিজের শক্তিকে যাচাই না করে তাকে অনুভব করা; ম্যাচিওরিটি হ’ল নিজের ক্রিয়াকলাপের জন্য দায়বদ্ধ থাকা, কারো ভুলত্রুটি নিয়ে সংবেদনশীল হওয়া এবং অন্যের প্রতি মনোযোগী হওয়ার প্রচেষ্টা করা।

মানুষ মাত্রই ভুল হয় আর সেই ভুল অকপটে স্বীকার করতে পারে যে ব্যক্তি সে ই প্রকৃত ম্যাচিউরড ব্যক্তি ।

যে পরিমাণ একজন ব্যক্তি ব্যায় করেন তার অধিক পরিমাণে যেদিন সে সাশ্রয় করতে পারবে, তাহলে বুঝতে হবে সে পরিপক্ক হয়েছে।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে নিজের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন যিনি আনতে সক্ষম হন তিনিই প্রকৃত ম্যাচিউরড ব্যক্তি ।

আমরা সেই মানুষকেই ম্যাচিউরড বলে বিবেচনা করি যারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কঠিন বিপদের সম্মুখীন হয়েও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ কখনো করতে পারেন না।

যে ব্যক্তি কারো বাহ্যিক অবস্থা দেখে, তাকে পরখ বা তাকে বিচার করার প্রচেষ্টা না করে তার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে বিচার করার চেষ্টা করেন, সে প্রকৃত অর্থেই পরিপক্ক এবং ব্যক্তিত্ববান।

ম্যাচিউরিটি পরিমাপের আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হল ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা; যার এ ক্ষমতা যত বেশি সে তত বেশি পরিপক্ক ,কারণ ধৈর্য ধারণ না করে কেউ কোন কাজই সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে না যা কিনা জ্ঞানের থেকে ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment