ব্যাকলিংক কি এর প্রয়োজনীয়তা কি সে সর্ম্পকে বিশদ আলোচনা (SEO অধ্যায়-৮)

ব্যাকলিংক কি:

ব্যাকলিংক হল নিজের ওয়েবসাইটের একটি লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা। নিজের

ওয়েবসাইট এর লিংক অন্য কোন ওয়েবসাইটে সাবমিট করে কোন না কোন ভাবে ভিজিটরকে আকৃষ্ট

করা এবং এটি সরাসরিও হতে পারে আথবা অন্য কোন ভাবেও হতে পারে। এটি হচ্ছে একটি এক্সটারনাল

লিংক (External Link) যা অন্য একটি ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওবেসাইট পেয়ে থাকে। আরো

সহজভাবে বললে, যখন একটি ওয়েবসাইট অন্য একটি ওয়েবসাইটকে একটি লিংক দেয়।

আরো জানুন:

ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের পেইজের রাংক বাড়ানোর মূল হাতিয়ার। Search Engine

Optimization (SEO) এর পরিভাষায় Backlinks বলতে বুঝায় অন্যের ব্লগ কিংবা

ওয়েবসাইটের সাথে নিজের ব্লগটির Hyperlink তৈরী করা, যার মাধ্যমে উক্ত লিংক থেকে নিজের ব্লগে

ভিজিটর আসার সম্ভাবনা তৈরী করে দেয়। আরও সহজভাবে বলা যায় যে, Backlink মানে হচ্ছে

অন্যের ব্লগের সাথে নিজের ব্লগটি Linking করা, অর্থাৎ নিজের ব্লগের Url টি অন্য কারও ব্লগে সংযোগ

করা।

ব্যাকলিংক এর গুরুত্বঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নিজের ব্লগটিকে সার্চ ইঞ্জিন

এর কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং গ্রহনীয় করে তুলতে হলে অবশ্যই ব্লগের ব্যাকলিংক তৈরী করে নিতে হবে। যার

ব্লগের ব্যাকলিংক যত বেশী তার ব্লগটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বেশী গ্রহনযোগ্যতা পাবে। নিজের ব্লগের

প্রতিটি ব্যাকলিংককে ব্লগের এক একটি ভোট হিসেবে মনে করা যেতে পারে। ব্লগে যত বেশী Dofollow

Backlinks থাকবে Page Ranking তত ভাল অবস্থানে থাকবে। গুগল সার্চ ইঞ্জিন Backlinks

অনুযায়ি সাবার ব্লগকে Page Rank দিয়ে থাকে, অর্থাৎ যার ব্লগের Backlinks যত বেশী তার ব্লগের

Ranking তত ভাল হবে। তবে ব্যাকলিংক বাড়াতে গিয়ে যার তার ব্লগে নিজের ব্লগটি যুক্ত করা ঠিক

হবে না। এতে করে Spam এর শিকার হতে পারে।

ব্যাকলিংক কেন দরকার:

তিনটি কারনে একটি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক করা হয়।

অথোরিটি তৈরি করা

​সার্চ ইঞ্জিন রাংক (Rank)কে আসা

​ভিজিটরের সংখ্যা বাড়ানো

​এখানে অথোরিটি বলতে বোঝানো হচ্ছে ওয়েবসাইটের ভ্যালু বাড়বে। যখন নিজের ওয়েবসাইটে বাইরের

বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কোনো ব্যাকলিংক পাবে, তখন সার্চ ইঞ্জিন থেকেও নিজের ওয়েবসাইটিকে

গুরুত্ব দিবে এবং রাংক (Rank) প্রদান করবে। আর যখন সার্চ ইঞ্জিনে রাংক (Rank) করবে তখন

ওয়েবসাইটর অরগানিক ভিজিটর সংখ্যাও বাড়বে।

ব্যাকলিংক সাবমিশন এর প্রকারভেদ বা বৈশিষ্ট:

ব্যাকলিংক সাবমিশন দুই প্রকার হয়ে থাকে বা একটি লিংক এর ২টি বৈশিষ্ট রয়েছে। যথা:

১) Do Follow

২) No Follow

Do Follow এবং No Follow একে অপরের সংঙ্গে যুক্ত তাই দুটোই সমান ভাবে জরুরি। তবে No

Follow লিংক Do Follow ছাড়া তেমন কাজে লাগেনা। কিন্তু আজ কাল Do Follow লিংক এর

প্রতিযোগী অনেক বেশি, তাই No Follow এই ক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগে।

) ডুফলো (Do-Follow)

​যদি লিংকের বৈশিষ্ট্য নো-ফলো না করা হয় তাহলে ডিফল্ট ভাবে লিংকটি ডু-ফলো করা থাকে। একটি

লিংক যদি ডু-ফলো হয়, এর অর্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন বট লিংকের মধ্যে দিয়ে পাস হয়ে টার্গেট পেজে চলে

যাবে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন বট এই লিংকের কারনে টার্গেট পেজকে রাংক (Rank) পেতে সহায়তা

করবে। এক্ষে শুধু ডু-ফলো লিংক হলেই হবে না, যে পেজটি লিংক দিচ্ছে তার অবস্থানও সার্চ ইঞ্জিনে ভালো

হতে হবে। তাহলেই এমন ডু-ফলো লিংক পেলে লাভোবান হওয়া যাবে।

) নোফলো (No-Follow)

​নো-ফলো (No-Follow) হচ্ছে একটি HTML Attribute, যা সার্চ ইঞ্জিন বটকে বলে দেয় যে, এই

লিংকের জন্য ওই টার্গেট পেজটিকে সার্চ ইঞ্জিন রাংকিং (Ranking) এ যেনো কোনো ভ্যালু দেয়া না

হয়। তখন সার্চ ইঞ্জিন বট ঐ লিংটিকে আর ফলো করবে না। আর সার্চ ইঞ্জিন বট যদি লিংটিকে ফলো না

করে তাহলে ঐ লিংকের মধ্যে দিয়ে কোনো লিংক জুস (Link Juice) পাস হবে না।  লিংক জুস (Link

Juice) হচ্ছে একটি লিংকের পাওয়ার, যার মাধ্যমে লিংকে থাকা পেজটি ভ্যালু পেয়ে থাকে। সাধারনত

ওই সকল পেজকে আমরা নো-ফলো দিবো যেগুলি খুব বেশী অথোরিটি সম্পন্ন নয়। যারা ওয়ার্ডপ্রেসে

কাজ করে, তাদের জন্য অনেক ভালো একটি প্লাগিন আছে যার মাধ্যমে খুব সহজেই একটি লিংকে নো-

ফলো করা যায়, প্লাগিনটি হল: Rel Nofollow CheckBox।

কিভাবে ব্যাকলিংক পাওয়া যায়:

  • আর্টিকেল এর মাধ্যমে
  • ব্লগিং এর মাধ্যমে
  • অন্যের ব্লগে কমেন্ট করার মাধ্যমে
  • ফোরাম পোষ্টের মাধ্যমে
  • ফোরামে কমেন্ট করার মাধ্যমে
  • প্রেস রিলিজের মাধ্যমে।
  • ডাইরেক্টরিতে ওয়েবসাইট সাবমিট এর মাধ্যমে
  • লিংক এক্সচেন্জ এর মাধ্যমে
  • ওয়েবসাইটে এ্যাড দেয়ার মাধ্যমে
  • ব্যাকলিংক কেনার মাধ্যমে। (পেড ব্যাকলিংক) ইত্যাদি

কিভাবে স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়

১) Comment posting:

এটি হচ্ছে স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরির একটি জনপ্রিয় এবং সহজ মাধ্যম। তাই মানুষ ব্যাকলিংক তৈরির

জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। এর জন্য dofollow comment posting site URL দরকার হয়।

২) Forum posting:

এটি হচ্ছে comment posting এর মতই। এর জন্য একটি forum site এ registration করতে

হবে। এপর একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে অথবা website URL ব্যবহার করে নতুন একটি বিষয়

post করতে হবে। forum site এ signature হচ্ছে ব্যাকলিংক তৈরির আরেকটি পদ্ধতি। বর্তমানে

Forum posting খুবই জনপ্রিয় কারন এটি বিপুল পরিমান traffic এবং permanent backlink

এর জোগান দেয়।

৩) Article submission:

Article submission এর মাধ্যমেও স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। এর জন্য ভাল মানের এবং

নতুন Article লিখতে হবে। এর জন্য যেকোন article submission site এ registration করতে

হবে এবং ওয়েবসাইট URL ব্যবহার করে article টি submit করতে হবে। অথবা site URL-টি

article sources box এ দিতে হবে।

৪) Press release:

এটি হচ্ছে একটি পত্রিকার মত। এখানে ওয়েবসাইট URL ব্যবহার করে একটি আটিকেল লিখতে হবে এবং

Press release site এ submit করতে হবে। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁরা আটিকেলটি প্রচার করে

দিবে। আটিকেল এখন traffic এবং স্থায়ী ব্যাকলিংক তৈরির আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম।

৫) Social Bookmarking:

ইন্টারনেটে আয়ের জন্য বিভিন্ন bookmarks কে organize, store, manage অথবা search

করার জন্য এর ব্যবহারকারীর একটি কৌশল। যেকোন একটি Social Bookmarking site এ গিয়ে

যেখানে ওয়েবসাইট information সেখানে submit করতে হবে। তা হলে permanent

backlink সহ traffic পাওয়া যাবে।

ইন্টারনাল লিংক (Internal Link) এবং এক্সটারনাল লিংক (External Link) কি?
ইন্টারনাল লিংক (Internal Link):

যখন একটি ওয়েবসাইটের ভিতরের একটি পেইজের বা পোষ্টের সাথে অপর পেইজের বা পোষ্টের লিংক

করা হবে তখন তাকে ইন্টারনাল লিংক বলে। এটিকে Inbound Link ও বলে। সার্চ ইঞ্জিনে একটি

সাইট রাংকিং এর ক্ষেত্রে Inbound Link এর গুরুত্ব অনেক বেশী। সঠিক ইন্টারনাল লিংকের মাধ্যমে

ওয়েবসাইটের সকল পেইজের বা পোষ্টের মধ্যে লিংক জুস সঠিক ভাবে পাস হতে পারে। এই কারনে,

ইন্টারনাল লিংক সাধারনত ডু–ফলো (Do-Follow) হয়ে থাকে।

এক্সটারনাল লিংক (External Link):

যেহেতু, এক্সটারনাল লিংক এর মাধ্যমে বাইরের সাইটকে লিংক দেয়া হয় একারনে এক্সটারনাল লিংক

সাধারনত নো–ফলো (No-Follow) হয়ে থাকে। তবে, এর ব্যতিক্রমও হতে পারে। কারন হাই-

অথোরিটি সাইটকে অনেকেই ডু-ফলো লিংক দিয়ে থাকে।

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক কি:

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সম্পর্কিত ব্যাকলিংক অর্থাৎ যদি স্বাস্থ্য সম্পর্কে ব্লগ তৈরি করা হয়

তবে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সাইটে প্রকাশিত লিঙ্ককেই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক বলা হয়ে থাকে। ১০০টি

সাধারন ব্যাকলিংক যে পরিমান কাজ করবে ১টি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক সেই পরিমান কাজ করে থাকে ।

যেনতেন সাইটে ব্যাকলিংক দিতে থাকলে এতে করে ব্যাকলিংক এর পাহাড় গড়ে উঠে ঠিকই কিন্তু সার্চ

ইঞ্জিন সাইটটিকে স্পাম তালিকাভুক্ত সাইটের তালিকায় ফেলে দেয় এতে নিজের অজান্তে সাইট ক্ষতিগ্রস্থ

হয়। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

কিভাবে ডু ফলো ব্যকলিংক তৈরি করা হয়:

ব্যকলিংক তৈরি করা একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে রাংক (Rank) করানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

একটি কাজ। Do follow ব্যকলিংক তৈরি করতে হলে প্রথমে এমন কিছু ওয়েবসাইট খুঁজে বের করতে

হবে যেই সাইট গুলো ডু ফলো ব্যকলিংক দিয়ে থাকে। গুগল এ সার্চ দিয়ে এরকম অনেক সাইট এর লিস্ট

পাওয়া যায়। কোন পোস্ট এ গিয়ে নিজের সাইটের লিংক দিয়ে কিছু ভালো কমেন্ট লিখে দিলেই পাওয়া

যাবে একটি ডু ফলো ব্যাকলিংক।

কিভাবে বুঝা যাবে ব্যকলিংক কাজ করছে:

এটা বুঝতে হলে পেইজের বা ঐ সাইটের নির্দিষ্ট পেইজটিতে (যেখানে লিংক দেওয়া হয়েছে) গিয়ে এর

HTML কোড দেখতে হবে। মাউসের রাইট বাটন এ ক্লিক করে HTML mood এ ক্লিক করতে হবে।

এখন দেখা যাবে সাইটের কোডে কোন no follow লেখা আছে কি না। যদি না থাকে তবে বুঝতে হবে

ব্যকলিংক তৈরি হয়ে গেছে। আর যদি no follow লেখা থাকে তবে বুঝতে হবে লিংকটি কোন কাজে

আসবেনা মানে এই লিংকে কেউ ক্লিক করলে ভিজিটর পাওয়া যাবে ঠিকই কিন্তু গুগলের সার্চ এ কোন

বেনিফিট পাওয়া যাবেনা।

কিভাবে ফোরামের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করা যাবে:

রেজিষ্ট্যেশন:

যে ফোরামে সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করা হবে সেটাতে রেজিষ্ট্যেশন করতে হবে। প্রথমে ফোরামে প্রবেশ

করে Register এ ক্লিক করতে হবে। এর পরে ফোরাম এর রুলস এ সম্মতি প্রদান করে Register এ

ক্লিক করতে হবে। তারপর যাবতীয় তথ্য প্রদান করতে হবে এবং ইমেইল ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে

যাবতীয় কার্য সম্পাদন করতে হবে।

প্রোফাইল সেটিং

রেজিষ্ট্যেশন শেষ হয়ে গেলে এর পর কাজ হবে প্রোফাইল সেটিং করা। সবসময় মনে রাখতে হবে কখনো

স্প্যামিং এর জন্য ফোরামকে ব্যবহার করা যাবেনা। সবসময় বিষয় ভিত্তি অনুসারে কমেন্ট বা পোস্ট

করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে। প্রোফাইলে গিয়ে দেখা যাবে যে

Home Page URL এর অপশন আছে। ওখানে নিজের সাইটের লিংক ব্যবহার করা যাবে।

সিগ্যনেচার সেটিং

ব্যাকলিংক এর জন্য এটাই সবচেয়ে বড় কাজ। এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Edit Signature এ

যেতে হবে। এবার ওখান থেকে নিজের সাইটের জন্য একটি কী-ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। এটা

ব্যাকলিংক এর এনকোর টেক্স হিসাবে ব্যবহারিত হবে। এই এনকোর টেক্স ব্যাকলিংক ও সার্চ ইন্জিনের

জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবার লেখাটিকে সিলেক্ট করে ক্লিক করে হাইপারলিংক এ সাইটের লিংক যোগ

করতে হবে। তারপর Save Change এ ক্লিক করে বের হয়ে আসতে হবে। এবার যখনই ঐ ফোরামে

কোন পোষ্ট বা কমেন্ট করা হবে তখন সেখানেই নিজের সাইটের লিংক দেখা যাবে। ফোরামের রুলস

অনুযায়ী এক বা একাধিক লিংক ব্যবহার করা যাবে।

পোষ্ট কমেন্ট:

ব্যাকলিংক পাবার জন্য ফোরাম গুলোতে কমেন্ট ও পোষ্ট করতে হবে। প্রথম দিকে কমেন্ট দিয়ে শুরু করা

যেতে পারে। কমেন্ট করার ব্যাপারে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তাহা নিম্নোরুপ:

১) কমেন্ট এ অপ্রাসঙ্গিক কোন কিছু লেখা যাবেনা। কেননা ফোরামসমূহের এডমিন সবসময় তৎপর

থাকে স্প্যামিং এর ব্যপারে।

২) ভালো কমেন্ট করার জন্য আগে পোস্টটি পড়ে নিতে হবে। এতে করে কমেন্ট করতে খুব সুবিধা হবে।

৩) কমেন্ট এ কোন প্রকার লিংক দেওয়া যাবেনা।

৪) সময় বাচানোর জন্য Thanks for Your Great Post বা Very Good information,

Thanks Author ইত্যাদি ধরনের ম্যাসেজ দেওয়া যাবে। পোষ্ট করার সময় সবচেয়ে ভালো হয় কোন

বিষয়ে হেল্প চেয়ে পোস্ট করা।

লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার

সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে

অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে

রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

Leave a Comment