বিটকয়েন থেকে অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়

বিটকয়েন হল লেনদেন হওয়ার সাংকেতিক মুদ্রা।  সাতোশি নাকামোতো ২০০৮ সালে এই মুদ্রাব্যবস্থার

প্রচলন করেন। তিনি এই মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন। বিটকয়েনের

লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগ

ব্যাবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয়

সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে নতুন

বিটকয়েন উৎপন্ন হয়। এক বিটকয়েন সমান কত ডলার তা জানলেই পাগল হয়ে যাবেন বিটকয়েন আয়

করার জন্য।

১ বিটকয়েন = ৪৪০.০৪ ডলার ।

বিটকয়েনের মূল্য উঠা-নামা করে এই মহূর্তে দেখা যাচ্ছে 1 BTC = $440.04

বিটকয়েন অনেকটা শেয়ার বাজারের মতই এর দাম উঠানামা করে, যাহা প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকে

দেখে বুঝতে পেরেছেন।বর্তমানে ১টি বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ৪৪০.০৪ ডলার, প্রায় ৬ মাস পূর্বে ছিল

২২৪.৭৫ ডলার ।

বিটকয়েন আয় করার  জন্য আপনাকে একটি নিজস্ব বিটকয়েন ওয়ালেট অ্যাড্রেসের দরকার। এটি ব্যাংক

অ্যাকাউন্ট নাম্বার এর মত সবখানে কাজে লাগবে এবং এই অ্যাড্রেস এই আপনার সমস্ত বিটকয়েন জমা

হবে। বিটকয়েন প্রধানত বাংলাদেশী সময় প্রতি রবিবার রাত ১০ টার মধ্যে পে করে। আপনার

বিটকয়েন সাইটে যদি কয়েনবেজ সাইটের সঠিক ঠিকানা যুক্ত করেন তাহলে বিট কয়েন কয়েনবেজ

সাইটেই জমা হবে। ঠিকানা ভূল হলে অন্য কোথাও চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে। অপরদিকে নিদিষ্ট

পরিমান বিট জমা না হলে পে করেনা, তাছাড়া বিট কয়েন সাইটে উইথড্র অপশন এনাবল করে দিন।

বিটকয়েন কোনো দেশের বৈধ বা অনুষ্ঠানিক মুদ্রা না হলেও ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে এর জনপ্রিয়তা ক্রমশ

বেড়ে চলেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে কেনাকাটা ও ইলেকট্রনিক লেনদেনে বিটকয়েন

ভবিষ্যতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত মুদ্রা হবে। বিটকয়েনে অনেকের অ্যাকাউন্টও আছে ।

বাংলাদেশ সরকার বিটকয়েন নিষিদ্ধ করেছি যেহেতু এই কয়েনের বাস্তব কোন রূপ নাই । কিন্তু

বাংলাদেশে যাদের বিটকয়েন অ্যাকাউন্ট আছে এবং যারা বিটকয়েন দিয়ে আয় করছেন, তাদের বিকল্প

একটি উপায় আছে । বাংলাদেশে যেহেতু পেইজা সার্পোটেড সুতরাং বিটকয়েন এবার যে কেউ পেইজাতে

সেন্ড করে ব্যাংক হতে অর্থ উইথড্র করতে পারবেন। তা ছাড়া বিটকয়েন দিয়ে ডোমেন কিনতে পারবে

এই ওয়েবসাইটে গিয়ে । কিন্তু সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হচ্ছে, এখন আপনারা বিটকয়েন দিয়ে

মোবাইলও রিচার্জ করতে পারবেন । এটি দিয়ে এখন বিশ্বের ১২৭ টি দেশের ৪২৫ টি মোবাইল অপারেটরে

মানি রিচার্জ করা যায় । বাংলাদেশের ছয়টি অপারেটরেই রিচার্জ করা যায় । সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং

সবচেয়ে বেশি ১০০০ টাকা রিচার্জ করা যায় । লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার

বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে

আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আনন্দের

সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

Leave a Comment