ফাইভার কী এবং কিভাবে ফাইভার কাজ করে? Spandada-2

কেমন আছেন সবাই,আশা করি ভাল আছেন? আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস Fiverr নিয়ে আলোচনা করব। আমি Fiverr সম্পর্কে আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব । আশা করি আপনারা আমার লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আমরা নানা কাজে অযথা সময় ব্যায় করে থাকি। কিন্তু একটু সচেতন হলে আপনিও Fiverr থেকে মাসে অনেক অনেক ডলার আয় করতে পারেন।

ফাইভার হল একটা অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার কোন একটি কাজের জন্য গিগ তৈরী করে। ওই গিগটি যদি কোন বায়ারের দরকার হয় তাহলে গিগটা সে কিনবে। এভাবে ফাইভারে গিগ তৈরী করে আয় করা যায়। ফাইভার হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস। এখানে সার্ভিসেস কিনা বেচা হয়। প্রত্যেক সার্ভিসের মূল্য কমপক্ষে ৫ ডলার। যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করা হয়

ফাইভার এ যে কোন ধরনের সেবা দিয়ে গিগ তৈরি করা যেতে পারে। সেটা হতে পারে একাউন্ট তৈরি করা থেকে শুরু করে সেই একাউন্টকে কম্পিলিট করা পর্যন্ত। এখানে কাজ করতে হলে অবশ্যই কোনো কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যে কাজে পারদর্শী তেমন কিছু কাজ দিয়ে একাউন্ট সাজিয়ে রাখতে হবে যাতে বায়ারা সেটা দেখে আকষিত হয়। এটাকে ফাইভারের ভাষায় গিগ বলে। গিগ যত আকর্ষনিয় হবে কাজের তত রিকুয়েস্ট তত আসবে। এইসব কাজ করে দিতে পারলেই ঘরে বসে আয় করা যায়।

Fiverr বলতে কি বুঝ?

ফাইভার হ’ল একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যা বিভিন্ন ধরণের পরিষেবা, কার্য এবং মিনি-জব সরবরাহ করে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত।সহজ ভাষায়, ফাইভার হচ্ছে একটি বেচা কেনা করার মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন আর একজন বায়ার সেটি আপনার কাছ থেকে কিনবে। যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু আপনি এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করে পারবেন।

ফাইভারের লক্ষ্য এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের উপলভ্য ডিজিটাল পরিষেবাগুলির বিজ্ঞাপন এবং তালিকাবদ্ধ করতে পারে। ফাইভার এ সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।

প্রাথমিকভাবে সহজে কাজ পাওয়ার জন্য নুতন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভিন্ন ধারার সেরা অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইভার। ফাইভার ইতিমধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হিসেবে সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এ মার্কেটপ্লেসে গিগ এর রেট ৫ ডলার দেখে অনেকে কাজ করতে কম উৎসাহিত হয়। আসলে বিষয়টি ঠিক এরকম না। এ মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অনেকে প্রতিমাসে গড়ে ১৫০০ ডলারের বেশীও আয় করছেন।

এখানে বায়ার নয়, বরং ফ্রিল্যান্সাররাই কাজের অফার টিউন করে থাকে এবং বায়ার উক্ত অফার কিনে নেয়। এখানে প্রতিটি অফার বা কাজকে গিগ বলা হয়। প্রতিটি অফার বা গিগ এর মূল্য মাত্র ৫ ডলার হওয়ায় গিগগুলো দ্রুত সেল হয়ে থাকে। এজন্য দেখা যায়, অনেকেই যারা আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার এ সুবিধা করতে পারছেন না, কিন্তু ফাইভার থেকে ভাল আয় করছেন।

.

Sign Up Now

.

 Fiverr এর পরিচিতি বা ইতিহাস কি?

Fiverr একটি অনলাইন মার্কেট প্লেস ফ্রিলেন্সারদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় ফ্রিলেন্সার সাইট । ২০১০ সালে ইসরাইলের একটি কোম্পানি এটি প্রতিষ্ঠা করে। যা বিশ্বব্যাপী কাজ করে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের ৩০ লক্ষ সেবা নথিবদ্ধ হয়। Fiverr কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা মিকা কাফম্যান এবং শাই উইনারারের দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে এটি চালু করা হয়েছিল। আপনি Fiverr রে ইংরেজি ভাষা, স্পেনীয় ভাষা, ফরাসি ভাষা, ওলন্দাজ ভাষা, এবং পর্তুগিজ ভাষায় কাজ করতে পারবেন।

ফাইভার হল একটা অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে সেলার কোন একটি কাজের জন্য গিগ তৈরী করে। ওই গিগটি যদি কোন বায়ারের দরকার হয় তাহলে গিগটা সে কিনবে। এভাবে ফাইভারে গিগ তৈরী করে আয় করা যায়। প্রত্যেক সার্ভিসের মূল্য কমপক্ষে ৫ ডলার। যেহেতু এটি একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস সেহেতু এখানে অনলাইন এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা বিক্রি করা হয়।

Fiverr  রে কীভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে?

Fivver হচ্ছে একটি বেচা কেনা করার মার্কেটপ্লেস যেখানে আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন আর একজিন বায়ার সেটি আপনার কাছ থেকে কিনবে। Fivver রে কাজ করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে:-

১.প্রথমে Fivver এ্যাকাউন্টে সাইন আপ করতে হবে।

২. তারপর আপনার প্রোফাইন সেট আপ করতে হবে।

৩.আপনি যে কাজটি পারেন তারউপর একটি গিগ তৈরি করতে হবে।

৪. আপনার গিগ সেট আপ করতে হবে এবং আমাদের বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে আপনার কাজের প্রস্তাব উত্থাপন করতে হবে।

৫.দুর্দান্ত কাজ বিতরণ করতে হবে।

৬. আপনি কোনও অর্ডার পাওয়ার জন্য গ্রাহকদের সাথে বিশদ আলোচনা করতে ভালো সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন।

৭. অর্থ প্রদান করা, সময়মতো বেতন পাওয়া। অর্ডার সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আপনার কাছে পেমেন্ট স্থানান্তরিত ।

৮. নিয়মিত নজর দারি, কাজ পেলে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শেষ করে জমা দেওয়া।

Fiverr-এ কাজ করতে হলে আপনাকে যা অবশ্যই করতে হবে:

আপনি যদি Fiverr এ কাজ করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে তাদের নিচের বিষয়গুলো জেনে রাখা ভালো।আপনারা যারা ফাইবার এ নতুন তাদের জন্য এই লেখা, Fiverr কাজ করতে প্রথমে ভাল গিগ বানাতে হবে, গিগ বানাতে গিয়ে কি কি করতে হবে,তার বিষয়ে আলোচনা করা হলো:-

. অনুশীলন করতে হবে:

আপনি যে কাজটি করতে চান অবশ্যই আপনাকে সেটি ভাল ভাবে জানতে হবে এবং অনুশীলন করতে হবে।

. গিগ তৈরি করুন:-

আপনি যখন কাজ করার জন্য রেডি তখন আপনি ফাইবার এ গিগ তৈরি করতে শুরু করুন। এটা মনে করার দরকার নেই যে গিগ তৈরি করে রাখি কাজ পেতে টো দেরি আছে। গিগ যেদিন তৈরি করবেন সেদিন ও আপনি কাজ পেতে পারেন তাই ভালভাবে তৈরি হয়ে গিগ বানান।

. গিগ সম্পর্কিত ছবি দিতে হবে:

 আপনি যখন গিগ তৈরি করবেন তখন আপনাকে গিগ এ আপনার গিগ সম্পর্কিত ছবি দিতে হবে। সেই ছবি তৈরি করুন। আপনি যদি ডিজাইনার হন তাহলে নিজেই বানাবেন আর আপনি যদি ফাইবার এ ডিজাইন ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে কাজ করেন তাহলে আমি বলবো কোন ডিজাইনার দিয়ে আপনার গিগ এর ছবি ডিজাইন করে নিন। গুগল থেকে ছবি নিয়ে গিগ এ না দিলেই ভাল।

. গিগ কাভার ফটো তৈরি:

আপনি আপনার গিগ কাভার ফটো তৈরি করতে পারেন তবে সেটি তৈরি করতে হবে আপনার নিজের কাজ দিয়ে, এখানে অন্য কারো ছবি দিয়ে কাভার বানান উচিত না। কাভার ফটো এর বক্স এ ফাইবার এর একটা ভিডিও আছে সেখান থেকে নিয়ম দেখে নিতে পারেন।

. গিগ ডেসক্রিপশন লিখতে হবে:

আপনার গিগ ডেসক্রিপশন লিখতে হবে। এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনি যারা অনেক দিন ধরে ফাইবার এ কাজ করছেন তাদের গিগ দেখে ধারনা নিতে পারেন কিন্তু কপি করতে যাবেন না। ধারনা নিয়ে নিজের মত করে লিখতে হবে।

৬. নিজের ভায়ায় লিখুন:

আপনার লেখা যেন ইংরেজি ভায়ায় হয়। এবং আপনার লেখার মান যেন গুনগত মানের হয়ে থাকে। আপনার লেখা ভালো হওয়ার জন্য আপনি Grammerly Software টি ব্যবহার করতে পারেন।

৭.যতোটা সম্ভব নিজের ভাষায় লিখুন:

আপনি যা পারেন, আপনি যতোটুকু দিতে পারবেন ঠিক ততটুকুই লিখুন। মনে রাখবেন আপনাকে কিন্তু কাজ করে প্রমান করতে হবে আপনি কতটুকু পারেন, তাই আপনি লিখলেন অনেক কিছু কিন্তু করতে পারলেন না তাতে আপনার বদনাম হবে। তাই সাবধান থাকবেন।

৬। ট্যাগ, কিওয়ার্ড এর দিকে নজর দিবেন:-

ট্যাগ, কি-ওয়ার্ড আর একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বায়ার যখন ফাইবার এ কাজ এর জন্য আসে সে কিন্তু একটা একটা গিগ দেখে না। সে সার্চ বক্স এ সার্চ করে তারপর সেখান থেকে একজনকে কাজ দেয়। তাই আপনাকে চিন্তা করতে হবে বায়ার কি লিখে সার্চ দিতে পারে, আর বায়ার যেটা লিখে সার্চ দিবে সেটাকেই কি ওয়ার্ড বলা হচ্ছে।

আপনি এখানও অভিজ্ঞদের গিগ থেকে ধারনা নিতে পারেন আর চাইলে কপি ও করতে পারেন। তবে সব গিগ এর ট্যাগ কিন্তু একরকম হয় না তাই আমি বলবো কয়েকটা গিগ একসাথে ওপেন করে সেখান থেকে কমন ট্যাগগুলি ব্যবহার করতে পারেন।

৭. ভিডিও উপস্থাপনা:-

আপনি যদি ভিডিও উপস্থাপনা বানাতে পারেন তাহলে আপনি গিগ এ ভিডিও দিতে পারেন। ফাইবার ই বলে ভিডিও দিলে আপনার গিগ নরমাল গিগ এর থেকে অনেক বেশি সেল হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে। তবে ভিডিও এর কোয়ালিটি ভাল হতে হবে, ভিডিও তে অবশ্যই সাউন্ড থাকতে হবে। আপনি যদি ভাল ভিডিও না তৈরি করতে পারেন তাহলে আমি বলবো খারাপ ভিডিও দেয়ার থেকে না দেয়া অনেক ভাল, গিগ এর ছবিগুলি ভাল করে বানান। তবে আপনি ভালো বায়ার পাবেন।

. ট্রাফিক আনতে হবে:-

 আপনি যেবিষয়ে লিখছেন, ঠিক সে বিষয়ে কাজ করাতে ইচ্ছুক এমন গিগ এ ভিসিটর নিয়ে আসতে হবে, আপনি যত ভিজিটর আনবেন তত আপনার গিগ সেল হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। তাই এটি একটি গুরুত্ব র্পূণ দিক। এদিকে বেশি করে নজর দিতে হবে।

পরিশেষে লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না । আপনার সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

Sign Up Now

আমরা যারা ওয়ার্ডপ্রেস সাইট ব্যবহার করি । আমরা কখনো চাইনা আমাদের ওয়েবসাইট টি স্লো থাকুক। তাছাড়া, গুগলের সার্চ র‍্যাঙ্কিং এর অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর হলো এই সাইট স্পীড। কাজেই আপনার ওয়ার্ডপ্রেসের সাইট স্পীড অপ্টিমাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার সাইটের স্পিড বাড়ানো যায়:

Best Affiliate Marketing Site

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য বিখ্যাত সাইটটি হলো ‘‘Fiverr’’ আপনি এখানে সকল ধরনের কাজ পাবেন।। নতুন ওয়েব সাইট খুলতে আপনার প্রয়োজন হবে ভালো ডোমেন এবং হোষ্টিং সাইট ।

আমার জানা মতে অনলাইনে বেষ্ট ডোমেন সাইটটি হলো ‘‘Namecheap, Domain.com’’এবং বেষ্ট হোষ্টিং সাইটটি হলো‘‘ Bluehost, iPage’ ওয়েব সাইট আরো ভালো ভাবে সাজানোর জন্য প্রয়োজন হয় ভালো ‘‘theme and plugin’’ আমার জানা মতে বেষ্ট সাইটটি হলো ‘‘Theme Forest’’ আপনাদের সুবিধার জন্য বেষ্ট ৫ টি থিমের নাম উল্লেখ করলাম। ‘‘Avada, The7FlatsomeBeTheme, Bridge’’ অনলাইনে সকল কাজ  ইংরেজিতে হয়ে থাকে।

আর আপনার ইংরেজি লেখা সঠিক হচ্ছে কিনা তার যাচাই করার জন্য আপনি বেষ্ট Grammar checker সাইট ‘‘Grammarly’’ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে আপনি ‘‘Amazon, CJ, Impact’’ সাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। 

আপনার মূল্যবান সাইটটি SEO করে  অনলাইনে ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনি ‘‘SEMrush, Yoast SEO, ConvertKit’’ ব্যবহার করতে পারেন। এবং সর্বপরি অনলাইনে কাজের টাকা উত্তোলনের জন্য আপনি বেষ্ট Dollar transaction Site ‘‘Payoneer’’ সাইটে এ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং এখান থেকে Dollar  উত্তোলন করতে পারেন।

 আমি বিশ্বাস করি আপনি অনলাইনে এ সমস্ত সাইট ব্যবহার করলে আপনার অনেক উপকার হবে।।

Leave a Comment