ওয়েবসাইট ডাউন হলে বোঝার উপায় কি?জেনে নিন করণীয় ৫ টি দিক।

আমরা যারা ওয়েব সাইট ব্যবহার করি তারা অনেকে জানেন না যে কি কারনে আপনার ওয়েব সাইট ডাউন

হয়ে থাকে।সাধারনত, আমাদের ব্যবহৃত ওয়েবসাইটটি ডাউন হলে সাথে সাথে হোস্টিং কোম্পানির কাছে

ফোন কল দিয়ে থাকি।এবং তাদের কাছে আমরা আমাদের সমস্যার কথা বলে থাকি।

যেমন ধরুন:   ১) আমার সাইট ডাউন হয়ে গেছে।

২) ডাটাবেজ ইরর দেখাচ্ছে ।

৩) সাইটটি খুলতে পাচ্ছি না।

৪) সার্ভার হ্যাক হয়ে গেছে।

৫) কি সার্ভার ব্যবহার করেন ভাই ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে যায় ইত্যাদি অভিযোগ দিয়ে থাকি।

আরো জানুন:

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই এগুলো সত্য নাও হতে পারে।নিন্ন মানের হোস্টিং কোম্পানির থেকে হোস্টিং সার্ভিস

নিলে এগুলো সমস্যা ফেস করতে হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন ছোটখাটো সমস্যার  কারণে ও

কাস্টমার তার নিজের সাইটে ওপেন করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ- যখন একজন কাস্টমার তার cPanel

লগিন করার সময় ভুল ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করে এবং সেটা যদি বার বার করা হয় তাহলে

সার্ভার ফায়ারওয়াল আপনার আইপি ব্লক করে দিবে। এছাড়া এমন ছোট খাটো আরো অনেক সমস্যা আছে

যার কারনে সাময়িক সময়ের জন্য সাইটি ডাউন হয়ে যায়।

যাই হোক, আপনি কিভাবে নিশ্চিত হবেন আপনার সাইট ডাউন কি না?  চলুন জেনে নেওয়া যাক করণীয় ৫

টি কারন সমূহ:

) প্রক্সি সার্ভার সাইট চেক:

আপনার ওয়েবসাইটটি আসলেই ডাউন হয়েছে কিনা তা জানতে প্রয়োজনে আপনি প্রক্সি সার্ভার অথবা

অন্যান্য আইএসপির কানেকশন দিয়ে চেক করে নিতে পারেন। এতে আপনার সাইট টি ওপেন হয় কি না?

যেমন https://downforeveryoneorjustme.com/  এই সাইটে গিয়ে আপনার সাইটটি রি চেক

করে দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইট টি আপ নাকি ডাউন আছে।

আরো জানুন:

) ইন্টারনেট কানেকশন ঠিক আছে কিনা:

যদি আপনার সাইট টি ডাউন মনে হয় তাহলে প্রথমে আপনার ব্যবহৃত ইন্টারনেট কানেকশন ডিসকানেক্ট

করে কিছু সময় পর আবার কানেক্ট করে পুনরায় চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার কম্পিউটার আইপি ব্লক

হয়ে থাকলে ডায়নামিক আইপি হওয়ার কারনে আইপি পরিবর্তন হবে এবং আপনার সাইটটি আশা করি

দেখতে পারবেন।

) মেইনটেইনেন্স এর কারনে:

উন্নত সার্ভিস ও সার্ভার আপগ্রেড করার জন্য অনেক সময় হোস্টিং কোম্পানি গুলো তাদের সার্ভার মেইন

টেইনেন্স করে থাকে। এক্ষেত্রে তারা কাস্টমারদের ইমেইলে মেইনটেইনেন্স নোটিশ পাঠিয়ে থাকে। সেই সাথে

তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে উক্ত বিষয়ে পোষ্ট করে অবহিত করে থাকে।  তাই আপনার

ইমেইল নিয়মিত চেক করুন, দেখুন হোস্টিং কোম্পানি থেকে কোন মেইনটেইনেন্স নোটিশ পাঠিয়েছিল কি না।

অথবা কোম্পানির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সাইট যেমন- Facebook, Twitter, Instagram,

LinkedIn ইত্যাদি পেজ গুলো চেক করুন। তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন।

) আপডেট করা:

আপনার সাইটে আপডেটের জন্য কতক্ষন সময় লাগবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কিছু সময় অপেক্ষা

করুন। আপডেট পেতে দেরি হলে আবারো টিকেটে আপডেট জানতে চেয়ে মার্জিত ভাষায় রিপ্লাই দিন অথবা

তাদের দেওয়া ফোন নাম্বারে কল দিয়ে আপডেট জানতে জিজ্ঞাসা করুন।

আরো জানুন:

) সাপোর্ট টিকেট অথবা ইমেইল করুন :

এরপরও যদি আপনার সাইটটি ওপেন না হয় তাহলে হোস্টিং প্রভাইডার

কোম্পানির ওয়েবসাইটে সাপোর্ট  টিকেট পোস্ট করুন অথবা তাদের

দেওয়া কন্টাক্ট ইমেইলে মেসেজ সেন্ড করুন। কন্টাক্ট ফোন নাম্বার থাকলে ফোন করুন। কিন্তু ফোন করেই

শুরুতেই কটু কথা কিংবা গালাগালি করবেন না । প্রথমে হোস্টিং কোম্পানির সাপোর্ট এজেন্টদেরকে আপনার

ডোমেইন নেমটি আগে বলুন তারপর বলুন যে আপনার সাইট আপনি ব্রাউজ করতে পারছেন না। যদি কোন

সমস্যা থাকে তারা তা খতিয়ে দেখবেন এবং সমাধান করে দিবেন।

সুতরাং

কোন কারন বশত আপনার ওয়েব সাইটটি যদি ডাউন হয়ে থাকে তবে আগে জানার চেষ্টা করুন কিভাবে

এটা হলো ,না জেনে কোন কোন হোস্টিং  কোম্পানির স্টাফদের সাথে কটু কথা, গালাগালি কিংবা রাগান্বিত

হয়ে কথা বলবেন না। আবার অনাকাঙ্ক্ষিত DDoS attack এর কারনেও সার্ভার যদি ডাউন হয় তাহলে ৫

থেকে ৭ মিনিট পর পর ফোন করে অথবা লাইভ চ্যাটে গিয়ে বার বার জিজ্ঞাসা করবেন না যে আপনাদের

সার্ভার ঠিক হতে আরও কতক্ষণ সময় লাগবে। কারণ তারা যদি কাস্টমারদের এত ঘন ঘন টিকেট, অথবা

ফোন কল এর উত্তর দেয় তাহলে সার্ভার  ঠিকঠাক করার কাজ বিঘ্নিত হবে এবং সেই সাথে ডাউনটাইম ও

বাড়তে থাকবে। তাই এসব বিষয়ে সবর্দা সচেতন থাকবেন।তাতে করে আপনার ভাল হবে। আজ এ পযর্ন্ত ভাল

লাগলে আপনার বন্ধুদের কে শেয়ার করতে ভূল করবেন না।

আরো জানুন:

ভাল থাকবেন।।

Leave a Comment