অনলাইনে কোনটি সেরা ? এফিলিয়েট মার্কেটিং , ফ্রীল্যানসিং নাকি ব্যবসা।

.

.

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন অন্যান্য অনলাইন বিজনেস থেকে সেরা?

.

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন অন্যান্য অনলাইন বিজনেস থেকে সেরা সে বিষয় সর্ম্পকে আলোচনা করবো। আমরা প্রায় সকল মানুষ  এমন কাজ চাই।

যেখনে প্রচুন স্বাধীনতা থাকবে । কেও বোকাবোকি করবে না। কাজের মধ্যে আনন্দ থাকবে ।এমন কাজ কি হতে পারে । আপনার জানা মতে কি হতে

পারে ? হ্যা বন্ধুরা আছে ।

.

এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যান্য অনলাইন বিজনেস থেকে সেরা

আপনি চাকুরী হিসাবে দেখেন বা ব্যাবসা হিসাবে দেখেন সকল দিক থেকেই এফিলিয়েট মার্কেটিং সেরা ।

1.কাজের স্বাধীনতা আছে।

2.সময়ের স্বাধীনতা পাবেন।

3.বেড়াতে যাওয়ার স্বাধীনতা আছে।

4.যখন খুশি ,যেখানে খুশি আপনি আপনার কাজ করতে পারবেন ।

5.চাকুরী করার সময় যেসব জটিলতা সৃষ্টি হয় । এখানে তা পাওয়া যায় না ।

6.পরিবার পরিজনের সঙ্গে থাকা যায় ।তাদের সব সময় দেওয়া যায় ।

7.বন্ধুদের কে সময় দেওয়া যায় ।

8.নিজেই নিজের বস হতে পারবেন ।

9.কাওকে কোন কাজের জন্য জবাব দিতে হয় না ।

10.ভাল কাজ করলে ভাল অংকের টাকা আয় করা যায় ।

.

আমি এগুলো দেখেছি যারা  অধিকাংশই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাদ্ধমে এমন একটি স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়তে সক্ষম হয়েছিল। তো আমিও তাদের

মতো স্বপ্ন দেখতে ও একই সাথে কাজ করা শুরু করলাম।বলে রাখি আমি যখন ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্যাসিভ ইনকামের দিকে ক্যারিয়ার শিফট

করছিলাম তখন কিন্তু আমার ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্রতি মাসে প্রায় হাজারখানেক ডলার আয় হতো।

.

 তারপরও এই হাজারখানেক ডলার আয় করতে আমাকে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হতো।তাই সবকিছু চিন্তা করে আমি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ

কমাতে লাগলাম ও এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আমার সাইট প্রস্তুত করতে লাগলাম।আমার সাইটে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আর্টিকেল লিখতাম

SEO-র মাদ্ধমে তা গুগলের ফার্স্ট পেইজে নিয়ে আসতাম।

.

এভাবে অনেক আর্টিকেল গুগলের প্রথম পেইজে নিয়ে এলাম।বিভিন্ন দেশের অজস্র ভিজিটর গুগলে সার্চ করে আমার সাইটে আসতে থাকলো ও

আমার সাইট থেকে বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোডাক্ট কেনা শুরু করলো। এভাবে আমার এফিলিয়েট ইনকাম দিনকে দিন বাড়তে থাকলো।এরপর

আমি এডসেন্স এর জন্য এপলাই করলাম ও আমার এডসেন্স একাউন্ট কিছুদিনের মধ্যে পেয়ে গেলাম।আমার এডসেন্স কোড ব্যবহার করে তা

থেকেও আয় করতে থাকলাম।

.

আমার সাইট থেকে আরো একটি উপায়ে আয় করা শুরু করলাম যার নাম স্পন্সরড পোস্ট।বিভিন্ন কোম্পানি আমাকে তাদের প্রোডাক্ট এর

বিজ্ঞাপন আমার পোস্টে দেওয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করা শুরু করলো ও তার বিনিময়ে তারা আমাকে ৫০ থেকে ১০০ ডলার করে দেওয়ার

জন্য রাজি হলো।এভাবে আমি বিপুল পরিমান আয় করা শুরু করলাম।

.

তো আমার আয়ের প্রায় পুরোটাই প্যাসিভ ইনকাম যার মানে হলো আমি আমার সাইটের জন্য কাজ করি আর আমার আয় করার জন্য কাউকে

কোনো কাজ করে দেওয়া লাগে না।অটোম্যাটিক মানি জেনারেট হতে থাকে। একটি এফিলিয়েট সাইট ঠিকমতো গ্রো করতে পারলে আর টাকা নিয়ে

চিন্তা করতে হয় না! আমিনিজেই নিজের বস, ঠিক আমার মতো!

.

আপনি করতে চাইলে আজিই শুরু করুন এফিলিয়েট মার্কেটিং । আমি বলি এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যান্য অনলাইন বিজনেস থেকে সেরা । আপনার

মতামত কি ? ছোট্ট একটি অনুরোধ! ভাল লাগলে দয়া করে কন্টেন্টটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন।

.

অনলাইনে আপনি কোনটি করবেন? ফ্রীল্যানসিং নাকি, এফিলিয়েট মার্কেটিং ।

.

আপনি কি ফ্রীলান্সার কিংবা অনলাইন এ ক্যারিয়ার গড়তে চাচ্ছেন অথচ দোটানায় আছেন যে আসলে কোন পেশায় আপনার ক্যারিয়ার গড়া

উচিত দ্রুত সফল হওয়ার জন্য তাহলে এই পোস্ট টি আপনার জন্যই! ফ্রীল্যানসিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং দুটো ভিন্ন ভিন্ন পেশা তবে দুটো পেশাই

তাদের স্বমহিমায় মহিমান্বিত!

.

আজ আলোচনা করবো দুটি পেশার মধ্যে কোনটি সেরা এবং কোন পেশাটি আপনার বেছে নেয়া উচিতএই বিষয়ের খুঁটিনাটি নিয়ে!এবিষয়ে সুস্পষ্ট

ধারণা লাভের জন্য আসা করি এই পোস্টটি আপনাকে সাহায্য করবে!সবথেকে মজার বিষয় হলো দুটো পেশায় আমার পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা আছে তাই

আমি সহজেই আপনাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সহায়তা করতে পারবো বলে আসা করি করি!

.

 যাহোক তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক!ফ্রীল্যানসিং বলতে আমরা মূলত বুঝি মুক্তভাবে বিচরণ করা বা মুক্তভাবে কাজ করা অর্থাৎ

আপনি যখন খুশি,যেখানে খুশি, যেভাবে খুশি কাজ করতে পারবেন, কেউ আপনাকে বাধা দেয়ার থাকবেনা কিন্ত বাস্তবিক অর্থে কি তাই? একদমই

না, বরং সম্পূর্ণ এটার পরিপন্থী!আপনি বলতে পারেন কিভাবে?

.

আমি মূলত একজন ফ্রীলান্সার ছিলাম এবং আমি মোটামুটি সফল ও হয়েছি ফ্রীল্যানসিং ক্যারিয়ার-এ,তারপর ও আমি ফ্রীল্যানসিং ছেড়ে

এফিলিয়েট মার্কেটিং কে আমার পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছি তার পেছনে কিছু যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল!

.

কারণগুলো নিম্নে ধারাবাহিকভাবে আলোকপাত করা হলো :-

১. ফ্রীল্যানসিং একটি একটিভ ইনকাম সোর্স অর্থাৎ আপনি ঠিক যতটুকু কাজ করবেন ঠিক ততটুকুই উপার্জন করবেন!

২. কোনো কাজ পাওয়ার জন্য আপনার কাঙ্খিত বায়ারের পথচেয়ে বসে থাকা!

৩. মার্কেটপ্লেসেনির্ভর হওয়ার দরুন আপনার কষ্টের উপার্জনের ২০% তাদেরকে দিয়ে দেয়া যেটা আগে ছিল ১০%!অদুর্ভবিষ্যৎ এ ইটা হয়তো

৪০% ও হতে পারে!

৪. এছাড়াও মার্কেটপ্লেস এ আপনার মূল্যায়ন নেই বলেই চলে কারণ আমার দেখা একজন সেলার এর একাউন্ট এ ১০০০০ হাজার+ রিভিউ সহ

ব্যান হয়ে যায় কোনোপ্রকার অনুমতি ছাড়াই!

৫. এমনও হয়েছে আমার সাথে যে একজন অসাধু বায়ার তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আমাকে $200 অর্ডার দিয়ে এক রাজ্যের কাজ

করিয়ে নিয়ে অবশেষে এ অর্ডার ক্যানসেল করে দিয়ে চলে যায়!বিনিময়ে আমি সাপোর্ট এ যোগযোগ করার দরুণ উল্টো আমাকে তারা সাসপেন্ড

করে!

৬. বায়ারের হুকুমের গোলাম হয়ে থাকা অর্থাৎ বায়ার যা বলবে তাই করতে হবে তানাহলে একাউন্ট হারাতে হবে অথবা খারাপ ফিডব্যাক পেতে

হবে এই ভয় সবসময় ই কাজ করবে!

৭. সারারাত জেগে বিড করা এবং যদি আপনার কোনো রানিং প্রজেক্ট থেকে থাকে তাহলে সেটি শেষ করার জন্য সারারাত জেগে কাজ করতেই

হবে!

উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলি আমাকে ফ্রীল্যানসিং এর প্রতি অনীহা প্রকাশে বাধ্য করে এবং তখন থেকেই ইচ্ছা ছিল এমন কোনোপেশা বেছে

নিবো যেখানে থাকবেনা কোনো শাসন-বারণ,থাকবেনা কোনো পক্ষপাতিত্ব, থাকবে অজস্র সময় ও স্বাধীনতা আর ঠিক তেমনি একটি পেশা

হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং ।

.

এই এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে আমাকে যে ওয়েবসাইট টি আমাকে সব থেকে সহায়তা করেছে আমার ডিসিশন নেয়ার জন্য সেটি

হলো smnpost.com

.

আমি খুব বেশিদিন হয়নি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ আমার যাত্রা শুরু করেছি কিন্ত আমার এই অল্পদিনের অভিজ্ঞতায় আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং

এর যেই সন্তোষজনক দিকগুলো পেয়েছি তা আপনাদের মাঝে নিচে তুলে ধরলাম :-

.

১. এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স অর্থাৎ আপনি সরাসরি কাজে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও যে ইনকাম হয় তাকেই প্যাসিভ

ইনকাম বলে!

২. আপনাকে কাজ করতে হবে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত,যেমন আমি দিনে এ মাত্র ৪ ঘন্টা সময় দিচ্ছি আমার ওয়েবসাইট এর পিছনে এবং

এটাই যথেষ্ট এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য যা কিনা অন্য পেশায় সম্ভব না!

৩. যখন ফ্রীল্যানসিং করতাম তখন সত্যি আমার খাবার মতো ঠিকঠাক সময়টুকু পেতাম না,কিন্ত এখন অনায়েসে সারাদিন এ আমার হাতে

থাকছে অগণিত সময় যার দরুণ আমি আমার বন্ধুবান্ধব ও আমার পরিবারকে দিতে পারছি অগণিত সময়!

৪. ফ্রীল্যানসিং-এ থাকাকালীন অবস্থায় আমার যেখানে খাবার মতো সময়টুকুই ছিলোনা কিন্ত এখন আমি চাইলে পাচ্ছি ভ্রমণের মতো

অতিরিক্ত সময়!

৫. এফিলিয়েট মার্কেটিং এ আমিই আমার বস কারণ এখানে আমি পুরোপুরি স্বাধীন এখানে আমাকে হুকুম দেয়ার মতো কেউ নেই আর নেই

কোনো অশান্তি যেটা ছিল ফ্রীল্যানসিংজীবনে! আমার মনে আসে আমি একবার বেড়াতে গেছিলাম আমার এক ফ্রেন্ড এর সাথে আর ঐসময়

আমার একটা প্রজেক্ট চলতেছিল একটা আমেরিকান ক্লায়েন্ট এর,এককথায় বলতে গেলে আমার পুরো ভ্রমণটাই মাটি হয়ে গিয়েছিলো তাকে

খুশি করতে গিয়ে কিন্ত এফিলিয়েট এ আসার পর থেকে এমন বিড়ম্বনার শিকার আর হতে হচ্ছেনা এর থেকে দারুন আর কি হতে পারে বলুন ?

.

এছাড়াও আরো অনেক গুনাগুন আছে এফিলিয়েট মাকেটিং এর যা আসলে বলে শেষ করা যাবেনা! আমার এই আর্টিকেলটি পড়ার পর হয়তো

আপনি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কোন পেশাটি সেরা এবং কোন পেশাটিকে আপনার বেছে নেয়া উচিত অনলাইন এ একটি সুন্দর ক্যারিয়ার

গড়ার জন্য!কাজেই আর দেরি কেন আজই শুরু করুন আপনার এফিলিয়েটের শুভযাত্রা!

.

আর হা, এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, একটি ডোমেইন ও একটি হোস্টিং! আর আপনি এটা পেতে

পারেন নেমচিপ কোম্পানিতে । এটা খুবিই ভাল কোম্পানি । আপনার ওয়েব সাইট তৈরি করার জন্য ।অনলাইন ক্যারিয়ার বিষয়ক আরো

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমার সাথেই থাকুন!

.

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার এবং কমেন্টস করতে ভুলবেন না! আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য  করবে!

.

আপনার দৃষ্টিতে কোনটি গুনগত মানের:-চাকুরী না কি এফিলিয়েট মার্কেটিং?

.

বলুন ত এমনটা কে না চাই, চাকরি মানেই সকাল ৮/৫ টা পর্যন্ত অফিস করা। ঘুম থেকে উঠতে দেরি বা যানজটের কারনে সঠিক সময় অফিসে

 যেতে না পারা ।তারপর বসের বকুনি তো আছে।এরপর ও মাস শেষে বেতনের কিছু টাকা নিখোঁজ, বলুপ্ত কেমন লাগে বলুন তো!!!

.

যখন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটর:

এফিলিয়েট মার্কেটরহলে ইচ্ছে মতো সময়ে ঘুম, ইচ্ছে মতো সময়ে ঘুম থেকে উঠা কার কাছে জবাব দিহি করতে হবে না। শুধু কিছু সময় নিজের

কাজ করা সেটি দিনে নাকি রাতে, সেটি কোন ব্যাপার নয়। কারন এটি আপনার ব্যাবসা যখন ইচ্ছা করতে পারবেন ।

.

আপনি কি বস হতে চানঃ

চাকুরি মানে কাজ, আর কাজ মানে  যে ভূল নয় এমনটাত নয়।আপনার সামান্য ভূলের জন্য বসের থেকে অপমান জনক কথা শোনা। কিছু

করার নেই, মনে মনে বলতে থাকি আরেকটা চাকুরি পাইলে দেখি কে তোমার অধীনে কাজ করে। অন্য কোনো উপায় না থাকার কারণে বাধ্য

হয়ে অনেক সময় সবই মেনে নিতে হচ্ছে, শুধু সুযোগের অপেক্ষা।

.

যখন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটর:

এফিলিয়েট মার্কেটর মানে  নিজে নিজের বস।  এখানে আপনাকে কেউ কাজে যাওয়ার জন্য তাড়া করবে না। কাজ না করলে কারো কাছে জবাব

দিতে হবেনা। তাছাড়া এটা একটি ব্যাবসা যা আপনার ইচ্ছার উপর র্নিভর করবে। সুতারাং এমন জীবন কে না চায়, আপনি বলুন।

.

জগৎ ঘোরা যার নেশা, এফিলিয়েট মার্কেটিং তার পেশা। যাদের জীবনে ভ্রমন করা একটা বড় নেশা বা মুক্ত গগণে পাখির মত যেখানে ইচ্ছা

ঘুরে বেড়ানো।তাদেরচাকরি জীবনে ছুটির সল্পতার কারনে  সাধের ইচ্ছাকে ভুলে যেতে হয়।তাছাড়া যে ছুটি পাওয়া যায় সেদিন পরিবারের

নানা সমস্যার কারনে সেতাও অশান্তিতে পরিনত হয়।   আপনি কি চান এমন একটা জীবন,যেটা আপনার এমন আশার পথ দেখাবে।

.

যখন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটর:

এটা এমন একটা কাজ যেটা আপনি দুনিয়ার যে কোন জায়গা থেকে করতে পারবেন।শুধু আপনার নেট কানেক্ট ও একটা ল্যাপটপ আর এটাই

হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর আসল মজা।  ভ্রমণে বের হয়ে সমুদ্রের পাশে বসে কিংবা পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে বসেও আপনি আপনার

ব্যাবসার কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। ঘুরাঘুরি এবং কাজ দুটি সমানতালে করার সুযোগ রয়েছে এ্যাফেলিয়েটদের জন্য। এর থেকে মজার

ব্যাপার কি হতে পারে। আপনি বলেন ?

.

দরকার বড় অংকের মাসিক আয়, তবে এ্যাফেলিয়েট কেন নয় । চাকরিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেতন হতে পারে ৮ হাজার টাকা কিংবা কারও

আরও বেশি হলে হয়তো ৫০ হাজার টাকা হতে এক লাখ টাকা হতে পারে বেতন। কম টাকা বেতনের কারণে নিজের অনেক স্বপ্নকে মনের

ভেতরেই কবর দিয়ে দিতে হয়। আবার এ টাকাতেই অনেকে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন হয়তো। কারণ এর চেয়ে বড় স্বপ্ন এখনও দেখতে পারছেন না।

.

যখন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটর:

এদেশের প্রচুর এফিলিয়েট মার্কেটররয়েছে যারা স্টুডেন্ট অবস্থাতেই মাসে লাখ টাকার ওপরে অনলাইন থেকে আয় করছে। বাংলাদেশের একজন

গ্রাজুয়েটের যেখানে চাকরিতে মাসিক বেতন হয় ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে অনেক এফিলিয়েট মার্কেটরদের  দেখা যায়, যাদের

এটা মাত্র ১ সপ্তাহের আয়, অথচ সেই এফিলিয়েট মার্কেটরদের   হয়তো এখন গ্রাজুয়েট সম্পন্ন হয়নি ।

.

চাকরিজীবী হবেন নাকি এফিলিয়েট মার্কেটর হবেন সেটি আপনার নিজের সিদ্ধান্ত। সবক্ষেত্রে ভালো- খারাপ দুদিকই রয়েছে। তবে এখনও এদেশে

এফিলিয়েট কে ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে ভ্য় পায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সামাজিক কারণ। তবে অবশ্যই খুব শিগগিরই এর পরিবর্তন আসবে। কেন

নয় অনলাইনে যোগাযোগের এ যুগে সবকিছুতেই পরিবর্তন আসবে।

.

Search and buy domains from Namecheap

আমার সেরা কমিশন প্রদান কারী এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম সমূহ

এফিলিয়েট মার্কেটিং খুব ভাল কমিশন প্রদান করে এমন সেরা অনুমোদিত অধিভুক্ত প্রোগ্রামগুলির একটি তালিকা এখানে রয়েছে। সেরা কমিশন

প্রদান কারী  এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রামের তালিকা নীচে শীর্ষ অর্থ প্রদানকারী এবং সেরা এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইটগুলির একটি

তালিকা  দেওয়া হলো:-

.

১।ফাইবার (Fiverr):-

Fiverr  ফ্রিল্যান্সিং পরিষেবাদির জন্য একটি বৃহত্তম ওয়েবসাইট। আপনি হয় আপনার কাজটি শেষ করতে পারেন বা অন্যের পক্ষে অর্থোপার্জনের

জন্য কাজ করতে পারেন। ফাইভারের একটি খুব বেশি অর্থপ্রদানকারী অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে যা ফাইভারে আপনার রেফারারের

দ্বারা ক্রয় করা পরিষেবার ধরণের ভিত্তিতে $ 15 থেকে 150 ডলার পর্যন্ত প্রদান করে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: Fiverr

.

.ব্লুহোস্ট (Bluehost)

ব্লুহোস্ট আজ প্রায় অনলাইন বিশ্বে এক বৃহৎ ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা। তারা শীর্ষস্থানীয় বিশ্বস্ত হোস্টিং সরবরাহকারীদের মধ্যে একটি ।

বর্তমানে তারা বিশ্বব্যাপী দুই মিলিয়ন ওয়েবসাইটের ওপরে ক্ষমতা রাখে। এটি একটি হোস্টিং সংস্থা। শেয়ার্ড হোস্টিং, রিসেলার হোস্টিং,

ভিপিএস হোস্টিং, ডেডিকেটেড হোস্টিং, ক্লাউড হোস্টিং এবং আরও অনেক কিছু ওয়েব হোস্টিং পরিষেবার জন্য জনপ্রিয়।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: ব্লুহোস্ট

.

৩।নেমচিপ (Namecheap)

নেমচিপ হলো একটি ডোমেন ও হোষ্টিং সাইট। এখান থেকেও আপনি ভালো এফিলিয়েট কমিশন পেতে পারেন।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: Namecheap

.

৪।থিম ফরেষ্ট (ThemeForest)

ওয়েব সাইটের জন্য ভালো ও গুনগতমানে থিম বা প্লাগিন চাইলে আপনি ThemeForest থেকে নিতে পারেন। এবং ডিজিটার মার্কেটিং

এর জন্য এটি একটি বেষ্ট সাইট। এখান থেকে তারা বিক্রি উপর 30% এফিলিয়েট কমিশন দিয়ে থাকে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: ThemeForest

.

৫। শেয়ারএসেল (ShareASale)

শেয়ারএসেল হ’ল প্রাচীনতম অনুমোদিত এফিলিয়েট নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে একটি এবং ক্লিকব্যাঙ্কের মতো।  শেয়ারএসেল খুব নমনীয় এবং

সময় দেয়। এটি অর্থোপার্জন শুরু করার জন্য নতুনদের জন্য সেরা বিকল্পগুলির মধ্যে একটি। আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবসায়

নতুন হয়ে থাকেন। তবে আপনি এখানে কাজ শুরু করতে পারেন।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: ShareASale

.

৬। ক্লিকব্যাঙ্ক (ClickBank)

ক্লিকব্যাঙ্কটি প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক জনপ্রিয় এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম সাইট।আপনি বিশ্বজুড়ে ক্লিকব্যাঙ্ক পণ্য বিক্রয় করতে পারেন।

এবং এটি বিক্রয় প্রতি 75% পর্যন্ত কমিশন দিয়ে থাকে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: ClickBank

.

৭।অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েটস (Amazon Associates)

অ্যামাজনের এফিলিয়েট প্রোগ্রামকে অ্যামাজন সহযোগীও বলা হয়। এটি বিশ্বের বৃহত্তম এফিলিয়েট নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে একটি । এই প্রোগ্রামটি

ব্লগার, প্রকাশক ইত্যাদিকে অ্যামাজন কর্তৃক বিক্রয় সম্পর্কিত পণ্যগুলির সাথে তাদের সামগ্রীর নগদীকরণ করতে সহায়তা করে। যখন কেউ

আপনার অনুমোদিত লিঙ্কগুলি ব্যবহার করে পণ্য ক্রয় করে তখন অ্যামাজন আপনাকে পণ্যের বিভাগের ভিত্তিতে একটি 4 – 10% কমিশন

প্রদান করবে। আপনি এখান খেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ শুরু করতে পারেন।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: Amazon Associates

.

৮। ম্যাক্সবাউন্টি (Maxbounty)

ম্যাক্সবাউন্টি হ’ল বৃহত্তম সিপিএ (ক্রমান্বিত / অধিগ্রহণের জন্য ব্যয়) অনুমোদিত বিপণন প্রোগ্রাম।  এটির মধ্যে 2000 টিরও বেশি সক্রিয় প্রচার

রয়েছে যা বেছে নিতে সাপ্তাহিক অর্থ প্রদান করে। ম্যাক্সবাউন্টির প্রত্যেক ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্টে ব্যক্তিগত অনুমোদিত ম্যানেজার রয়েছে যাতে

তারা ম্যাক্সবাউন্টিকে আরও ভালভাবে বুঝতে এবং আরও উপার্জন করতে সহায়তা করে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: Maxbounty

.

আমি আশা করি আপনার এই পোস্টটি পড়তে ভাল লেগেছে। লেখা গুলো পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যইআপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আপনার সুচিন্তিত মতামত আমার একান্ত কাম্য। তাই এই বিষয়ে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

আমি আনন্দের সহিত আপনার মতামত গুলো পর্যালোচনা করে রেপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ভাল থাকবেন।

Best Motivation